শিক্ষক সমিতির সভায় বর্তমান ভিসির পূর্ণ মেয়াদ এবং ডুয়েট শিক্ষকদের মধ্যে থেকে ভিসি নিয়োগের দাবি

  ডুয়েট প্রতিনিধি: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর শিক্ষক সমিতির ৭ম সাধারণ (জরুরি) সভায় বর্তমান উপাচার্যের পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ যোগ্য শিক্ষকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। ০৫ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এ সভায় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ খসরু মিয়ার সভাপতিত্বে সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান ভিসির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে পরিবর্তন আনা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক প্রশাসনিক, একাডেমিক ও উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিক্ষকবৃন্দ মত প্রকাশ করেন যে, ডুয়েট একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এর অভ্যন্তরীণ সিনিয়র ও অভিজ্ঞ শিক্ষকগণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অধিকতর অভিজ্ঞ। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে অভ্যন্তরীণ যোগ্য শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক হবে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, বর্তমান ভিসির পূর্ণ মেয়াদ নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হবে এবং ভবিষ্যতে ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মধ্য থেকে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি সরকার ও উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনের নিকট জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে। সভা শেষে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ধারাবাহিকতা এবং অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে।

ডব্লিউইউআরআই র‍্যাংকিংয়ে চতুর্থে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

  ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ উইথ রিয়েল ইমপ্যাক্ট (ডব্লিউইউআরআই) র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় স্থান পেয়েছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। তালিকায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। চলতি বছরের ৬ থেকে ৮ মে তাইওয়ানের নানতোউতে ন্যাশনাল চি নান ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ‘হ্যানসিয়াটিক লীগ অব ইউনিভার্সিটিজ (এইচএলইউ)-এর ষষ্ঠ বার্ষিক সম্মেলন ও ডব্লিউইউআরআই ২০২৬ পুরস্কার প্রদান’ অনুষ্ঠানে ডব্লিউইউআরআই-এর প্রেসিডেন্ট কিউং-সুং কিম এ ঘোষণা দেন। ডব্লিউইউআরআই র‍্যাংকিং ২০২৬-এ বিশ্বের ৯৬টি দেশের মোট ১ হাজার ৯২৭টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে, যেখানে বাংলাদেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নেয়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। এছাড়া তৃতীয় স্থানে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি), চতুর্থ স্থানে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। তালিকার ষষ্ঠ অবস্থানে উত্তরা ইউনিভার্সিটি এবং সপ্তম স্থানে রয়েছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। ডব্লিউইউআরআই র‍্যাঙ্কিংটি প্রকাশ করা হয় মূলত হ্যানসিয়াটিক লিগ অব ইউনিভার্সিটিজের পক্ষ থেকে। নেদারল্যান্ডসের হ্যানজ ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস এর উদ্যোক্তা। বিশ্বের ১০০ উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাপ্লিকেশন, এন্ট্রাপ্রেনিউরাল স্পিরিট, ইথিকাল ভ্যালু, স্টুডেন্ট মোবিলিটি অ্যান্ড ওপেননেস ও ইথিক্যাল ভ্যালু, এই ৫ বিষয়ে সেরা ৫০ এর তালিকা প্রকাশ করে তারা।

Wie profitieren Einsteiger im Spin Mama Casino?

Das casino spinmama bietet eine attraktive Plattform für Anfänger, die die Welt des Online-Glücksspiels entdecken möchten. Die benutzerfreundliche Schnittstelle, eine breite Spielauswahl und lukrative Boni machen es besonders einladend für Neueinsteiger in die Branche. In diesem Artikel werden die Vorteile für neue Spieler genauer betrachtet.

Attraktives Willkommensangebot

Einsteiger profitieren von einer großzügigen Willkommenspromotion, die oft Freispiele und Einzahlungsboni umfasst. Dieses Angebot ermöglicht es neuen Spielern, mit geringem Risiko viele Spiele auszuprobieren und gleichzeitig ihre Gewinnchancen zu maximieren. Die Bonusbedingungen sind in der Regel transparent und ermöglichen eine faire Umsetzung.

Zusätzlich werden Treueprogramme und Aktionsangebote bereitgestellt, die neue Spieler während ihrer ersten Schritte im Casino unterstützen. Durch die Nutzung dieser Angebote können die Spieler nicht nur ihre Gewinne erhöhen, sondern auch das Casino besser kennenlernen.

Vielfältiger Spielkatalog

Das Spieleangebot im Spin Mama Casino ist ein weiterer Pluspunkt. Neue Spieler finden hier eine breite Palette von Spielautomaten, Tischspielen und sogar Live-Casino-Optionen. Die Kooperation mit renommierten Softwareanbietern gewährleistet eine hohe Qualität und aufregende Spielerlebnisse.

  • Über 1000 verschiedene Spiele
  • Regelmäßige Aktualisierung neuer Titel
  • Verschiedene Spielkategorien für jeden Geschmack

Neue Spieler können die Spiele nach ihren Vorlieben filtern, was eine einfache und angenehme Navigation durch das Angebot ermöglicht. Auch die Möglichkeit, Spiele kostenlos zu testen, trägt zur positiven Erfahrung bei.

Sicherheit und Unterstützung

Ein weiterer wesentlicher Aspekt für Einsteiger ist die Sicherheit. Das Casino ist lizenziert und nutzt moderne Technologien zur Sicherung der Daten. Zudem steht der Kundenservice in mehreren Sprachen zur Verfügung, was insbesondere für nicht-deutsche Spieler vorteilhaft ist.

Aspekt Details Bedeutung für Anfänger
Lizenzierung EU-Lizenzierung Vertrauen und Sicherheit
Kundenservice 24/7 Unterstützung Schnelle Hilfe bei Fragen

Die Unterstützung umfasst verschiedene Kommunikationskanäle, darunter Live-Chat und E-Mail, was Anfängern hilft, bei Fragen schnell die nötigen Informationen zu erhalten.

FAQ zum Spin Mama Casino

  • Wie beantrage ich den Willkommensbonus? Nach der Registrierung und ersten Einzahlung können Sie den bonus über Ihr Konto aktivieren.
  • Welche Zahlungsmethoden werden angeboten? Es gibt mehrere Optionen wie Kreditkarten, E-Wallets und Banküberweisungen.
  • Ist das Casino sicher für Anfänger? Ja, das Spin Mama Casino verwendet fortschrittliche Sicherheitsmaßnahmen, um die Daten seiner Spieler zu schützen.

Neues Jahr, neue Chancen: Crazybuzzer Casino in 2024

Das buzzer casino hat sich im Jahr 2024 als aufregende Plattform für Online-Spieler etabliert. Mit einem stark erweiterten Spielportfolio und attraktiven Bonusangeboten richtet sich dieses Casino an eine breite Zielgruppe, die auf der Suche nach neuen Glücksspielerlebnissen ist. Spieler können sich auf innovative Spiele und erstklassige Live-Dealer-Erlebnisse freuen, die die digitale Glücksspielwelt neu definieren.

Ein umfangreiches Spielportfolio

Die Spielauswahl im Crazybuzzer Casino ist beeindruckend und vielfältig. Die Plattform bietet eine breite Palette von Spielautomaten, Tischspielen und Live-Casino-Optionen. Beliebte Spiele von führenden Anbietern wie Microgaming und NetEnt sind hier vertreten. Neue Titel werden regelmäßig hinzugefügt, was das Spielerlebnis stets frisch und spannend hält.

  • Über 1000 Spielautomaten
  • Beliebte Tischspiele wie Blackjack und Roulette
  • Interaktive Live-Dealer-Spiele
  • Regelmäßige Spiele-Updates

Attraktive Bonusangebote und Treueprogramme

Ein herausragendes Merkmal des Crazybuzzer Casinos sind die großzügigen Bonusangebote. Neue Spieler profitieren von einem umfangreichen Willkommensbonus, der ihre ersten Einzahlungen verdoppelt. Darüber hinaus können Bestandskunden von regelmäßigen Promotions und einem Belohnungsprogramm profitieren, das attraktive Prämien bietet.

Bonustyp Details Wettanforderungen
Willkommensbonus 100% bis zu 300 € 30x
Einzahlungsbonus 50% bis zu 200 € 25x

Sicherheit und Kundenschutz

Das Crazybuzzer Casino legt großen Wert auf die Sicherheit seiner Spieler. Die Plattform ist durch Lizenzierungen in renommierten Gerichtsbarkeiten reguliert und setzt auf modernste Verschlüsselungstechnologien, um persönliche und finanzielle Daten zu schützen. Zudem fördert das Casino verantwortungsbewusstes Spielen und bietet Tools und Ressourcen an, um Spieler bei der Kontrolle ihrer Spielaktivitäten zu unterstützen.

FAQ zum Crazybuzzer Casino

  1. Wie sicher ist das Crazybuzzer Casino?
    Die Plattform ist lizenziert und verwendet fortschrittliche Sicherheitsmaßnahmen, um die Daten der Spieler zu schützen.
  2. Welche Zahlungsoptionen werden angeboten?
    Crazybuzzer bietet eine Vielzahl von Zahlungsmethoden, darunter Kreditkarten, E-Wallets und Banküberweisungen.
  3. Gibt es ein VIP-Programm?
    Ja, die Plattform bietet ein exklusives VIP-Programm mit besonderen Vorteilen und Belohnungen für treue Spieler.

Die besten Jackpot-Chancen im Gama Casino erkunden

Das Gama Casino hat sich am Markt etabliert, indem es Spielern eine aufregende Auswahl an Jackpot-Spielen bietet, die mit lohnenden Gewinnchancen aufwarten. Um mehr über die besten Jackpot-Chancen zu erfahren, besuchen Sie https://glaskunstblaeserei-wolfi-glas.de/. Die Plattform zeichnet sich durch ein umfangreiches Portfolio an Spielautomaten, progressiven Jackpots und attraktiven Bonusangeboten aus, die sowohl neue als auch erfahrene Spieler ansprechen.

Vielfalt der Jackpot-Spiele im Gama Casino

Das Gama Casino bietet eine breite Palette an Jackpot-Spielen, von klassischen Slots bis hin zu modernen Videoautomaten. Die Auswahl umfasst sowohl festgelegte als auch progressive Jackpots, die sich kontinuierlich erhöhen, bis ein glücklicher Spieler den Hauptpreis gewinnt. Besonders beliebt sind Titel wie „Mega Moolah“ und „Gonzos Quest“, die für ihre hohen Gewinnsummen bekannt sind.

Die Spiele stammen von renommierten Anbietern wie Microgaming und NetEnt, was Spielersicherheit und hohe Qualität garantiert. Spieler können täglich, wöchentlich oder monatlich auf eine Vielzahl von Jackpot-Gelegenheiten zugreifen, wodurch die Spannung stets erhalten bleibt.

Bonus-Angebote für Jackpot-Fans

Die Bonusstruktur des Gama Casinos unterstützt Spieler aktiv in ihrer Jagd nach Jackpots. Neben einem großzügigen Willkommensbonus und Freispielen erhalten loyale Spieler Zugang zu regelmäßigen Aktionen wie Reload-Boni und Cashback-Angeboten. Diese Boni können auf Jackpot-Spiele angewendet werden, wodurch sich die Gewinnchancen erheblich erhöhen.

  • Willkommensbonus für neue Spieler
  • Wöchentliche Cashback-Aktionen
  • Exklusive Freispiele für Jackpot-Spiele
  • Loyalitätsprogramm mit zusätzlichen Belohnungen

Sicherheit und Zuverlässigkeit

Spieler können sich im Gama Casino auf ein sicheres Spielerlebnis verlassen. Die Plattform ist lizenziert und nutzt modernste Verschlüsselungstechnologien, um Daten und Transaktionen zu schützen. Zudem fördert das Casino verantwortungsbewusstes Spielen und bietet verschiedene Werkzeuge, um Spielern zu helfen, ihre Spielgewohnheiten zu kontrollieren.

Ein effektiver Kundenservice ist ebenfalls verfügbar, falls Unterstützung benötigt wird, was das Vertrauen in die Plattform weiter stärkt. Spieler können in verschiedenen Sprachen Hilfestellung erhalten, und die häufig gestellten Fragen bieten zusätzliche Informationen zu Jackpot-Spielen.

Spielname Art Maximalgewinn
Mega Moolah Progressiv Über 18 Millionen €
Gonzos Quest Fest 75.000 €

Häufig gestellte Fragen (FAQ)

  • Wie sicher ist das Gama Casino? Das Casino ist lizenziert und nutzt fortschrittliche Sicherheitstechnologien, um Spielern ein sicheres Erlebnis zu bieten.
  • Welche Jackpot-Spiele sind verfügbar? Das Gama Casino bietet eine Vielzahl von Jackpot-Spielen, darunter progressive und feste Jackpots von führenden Anbietern.
  • Gibt es Boni für Jackpot-Spiele? Ja, Spieler können von verschiedenen Bonusangeboten profitieren, die speziell für Jackpot-Spiele gelten.

মুসলিম নির্যাতন বন্ধ না হলে ভারতের অখণ্ডতা রক্ষা পাবে না: হেফাজত আমীর

ভারতে সংখ্যালঘুদেরকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে পাতানো নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মুসলিমদের ওপর সংঘটিত সহিংস কর্মকাণ্ডকে মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে আখ্যা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি বলেছেন, দ্রুত সময়ে এই অমানবিক নির্যাতন বন্ধ না করলে ভারতের অখণ্ডতা রক্ষা পাবে না। সোমবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা শাখার আহ্বানে, মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে, উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এমরান সিকদার ও মাওলানা কামরুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলিম নিধন ও বর্বরোচিত সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে উগ্রপন্থী বিজেপি সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা কোনো সভ্য, গণতান্ত্রিক ও বহুত্ববাদী রাষ্ট্রব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর উস্কানিমূলক বক্তব্যই মুসলমানদের হামলার প্রধান কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে জেতার পর ওই বিজেপি নেতা বলছেন- তাকে নাকি মুসলমানরা ভোট দেয়নি। যা মুসলিমবিরোধী মনোভাব উসকে দেয়ার পাশাপাশি হামলাকারীদের পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করছে। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, ভারতের মুসলমানদের ওপর চলমান নির্যাতনের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দা এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একইসাথে ভারত সরকারের কাছে সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি, এবং এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী জুমাবার চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করছি ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, উপজেলা সহ-সভাপতি, মাওলানা আব্দুল্লাহ, মাওলানা মো: ঈসা, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক, মাওলানা হাফেজ আব্দুল মাবুদ, মাওলানা জমির উদ্দিন, মোরশেদ আলম, মাওলানা হাফেজ মহিউদ্দিন, আবু তাহের রাজিব, রাশেদ আলম, উপজেলার প্রচার সম্পাদক, মাওলানা মাসউদ আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আসাদুল্লাহ, মাওলানা হাফেজ আমিনুল ইসলাম, মাওলানা ওবাইদুর রহমান, মাওলানা জাকারিয়া প্রমুখ।  

বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন সাইফ

  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সাইফ হোসেন (১৬) নামের এক পরীক্ষার্থী। সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টায় বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেনে তিনি। স্বজনরা জানান, সাইফের বাবা আবদুল বাছেদ (৫৪) স্থানীয় একটি মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কৃষিকাজের পাশাপাশি পাসপোর্টের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন। গত বৃহস্পতিবার বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। আজ সোমবার ভোররাত পাঁচটার দিকে আবদুল বাছেদের লাশ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ও আশপাশের গ্রাম থেকে স্বজন ও পরিচিতরা একনজর দেখতে সকাল থেকেই তাদের বাড়িতে ভিড় জমান। এমন অবস্থায় স্বজনেরা বুঝিয়ে সাইফকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠান। এ অবস্থায় হলে বসে সাইফ অধিকাংশ সময় কান্না করতে করতেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বলে জানান, বাদশাগঞ্জ পাবলিক বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমি ও আরেকজন শিক্ষক সাইফকে পরীক্ষা চলাকালে উৎসাহ ও সাহস জুগিয়েছি।’ সাইফ হোসেন উপজেলার বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। পরীক্ষায় অংশ নিলেও বারবার আব্বার কথাই মনে পড়ছিল।’

ডুয়েটে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

  মোঃ রুবেল হোসেন ডুয়েট প্রতিনিধি,গাজীপুর ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এর ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম বর্ষের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড বা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-আর্কিটেকচার কিংবা ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার সম্পন্ন শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আগামী ১২ মে সকাল ৯টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন কার্যক্রম চলবে ২২ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভর্তি আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫০০ টাকা, যা মোবাইল ব্যাংকিং অথবা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে। এদিকে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২ রা আগস্ট। আবেদন প্রক্রিয়া ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ডুয়েটের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব: তারেক রহমান

পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব: তারেক রহমান পুলিশ কোনো দলের অনুগত হবে না, বরং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে আজ রোববার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কল্যাণ প্যারেডে’ তারেক রহমান এ কথাগুলো বলেন। রুদ্ধদ্বার এই আয়োজনে উপস্থিত থাকা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। আজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয় পুলিশের কল্যাণ প্যারেড (পুলিশের কল্যাণে সভা)। চলে বেলা ১টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া সারা দেশ থেকে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের হীন স্বার্থে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন সময় এসেছে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার। জনগণের বিশ্বাস অর্জনই এখন পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন সম্ভব। একই সঙ্গে তারেক রহমান বলেন, অতীতে দেশের মানুষ পুলিশের ভিন্ন চিত্র দেখেছে। বাংলাদেশ যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদী শাসনে ফিরে না যায়, সেটিই হোক পুলিশ সপ্তাহের অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অতীতে দলীয় স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছিল। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। পুলিশের কাজ ‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের লালন’। থানায় গিয়ে যেন সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। কারণ, মানুষ বিপদে পড়েই থানায় যায়। সেখানে গিয়ে তাঁর বিপদ কমবে—এমন বিশ্বাস মানুষের মধ্যে তৈরি করতে হবে। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি মানবতার ছোঁয়া থাকলে পুলিশের কাজ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি পুলিশকে মাঠপর্যায়ে সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পুলিশ কোনো দলের অনুগত হবে না, বরং আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি থানাগুলো এমনভাবে গড়ে তোলার কথাও বলেন, যাতে কোনো ব্যক্তি সুপারিশ বা মধ্যস্থতা ছাড়াই নির্ভয়ে অভিযোগ জানাতে পারেন, আর প্রতিকারও পান। কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউস ডের মতো উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। সাইবার অপরাধ, কিশোর গ্যাং, আর্থিক জালিয়াতি, মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারেক রহমান। বিশেষ করে সাইবার বুলিং নারীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক সরবরাহকারী ও মাদকের উৎসকে টার্গেট করে অভিযান পরিচালনা জরুরি। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট বলে জানান তিনি। বাংলাদেশ পুলিশকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অপরাধ বিশ্লেষণ সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক তদন্তপদ্ধতির বিস্তৃত প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস ও সাইবার সক্ষমতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মানবাধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম, অপহরণ কিংবা বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। পুলিশের বদলি, পদোন্নতি ও নিয়োগে মেধা–যোগ্যতা–দক্ষতা–সততাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের আবাসনসংকট সমাধান, চিকিৎসাসেবা, রেশন ও ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন, দুর্বল শাসনকাঠামো, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এর মধ্যেই বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। ফলে সব প্রত্যাশা অল্প সময়ে পূরণ সম্ভব না হলেও সরকার ধাপে ধাপে সব অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করবে।  

পদত্যাগ করলেন ঢাবি’র প্রক্টর

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেছেন। রবিবার (১০ মে) তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম-এর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রবিবার দুপুরে সাইফুদ্দীন আহমদ নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। মাত্রই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে কিছুটা বিশ্রামে থাকতে চাই। তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” এদিকে, পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, প্রক্টরের বিষয়ে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেও পরিবর্তন আসে। ওই সময় ২৮ আগস্ট শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর গত দুই মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মধ্যেই প্রক্টর পদ থেকে সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের ঘোষণা এলো।