বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানীদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল। সেটা পরবর্তীতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে সেটি সংবিধানে পুনর্বহাল করা হবে। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কওম হিসেবে, মুসলমান হিসেবে বিভক্তি এবং দুর্বলতার কারণে ফিলিস্তিনের গাজাবাসী, আরাকানের রোহিঙ্গাসহ সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে। বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের দেয়, এ দেশের জনগণ যদি আমাদের মহব্বত করে দায়িত্ব দেয়, যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন, মঞ্চে উপবিষ্ট যারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পীরে কামেল, হজরত, ওলামায়ে কেরাম, আমাদের দেশের বুজুর্গানে দ্বীন যারা আমাদের পরিচালিত করেন, সবাই যদি আপনারা সহযোগিতা করেন, একসাথে থাকেন, তাহলে আপনাদের এখানে আজকে যে সমস্ত দাবি-দাওয়া আছে, আমরা সকল দাবি-দাওয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ইনশাআল্লাহ।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘কানুনি সকল ব্যবস্থা জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। এ জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাই হোক, আপনারা যে ভাষায় আমাকে কথা বলতে বলছেন, সেটি আইনের ভাষা নয়। আইনের ভাষা হচ্ছে এগুলো কার্যকর করার জন্য, এই প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা দেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করব।’

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে। এ বিষয়ে দেশে বা মুসলিম বিশ্বে কোথাও কোনো দ্বিমত নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ ঘোষণা দেন। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আজকের এই সমাবেশে শুধু বাংলাদেশের মুসলমান নয়— গোটা মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার বিষয়ে সবার অবস্থান এক। তিনি আরও বলেন, রাসুল সা. বহু হাদিসে ঘোষণা দিয়েছেন— তিনিই শেষ নবী, তার পরে আর কোনো নবী আসবে না। এই আকিদা ইসলামি উম্মাহর সর্বসম্মত বিশ্বাস। বাংলাদেশের জনগণ যদি আমাদের নির্বাচিত করে তাহলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

রাবিতে দীর্ঘ চার দশক পরে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ

রাবি প্রতিনিধি : ৪২ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে নবীনবরণ আয়োজন করল ইসলামী ছাত্রশিবির। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় রাবি ইসলামী ছাত্রশিবির। জানা গেছে, সংগঠনটির ক্যাম্পাসে সর্বশেষ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮২ সালে। সেদিন শাখা ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগের বাধা ও পরবর্তী সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের চার কর্মী নিহত হন। এরপর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে শিবির তাদের নবীনবরণ আয়োজন ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করে আসছিল। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ ছাত্রশিবির রাবি শাখা নবীনবরণ আয়োজন করতে চেয়েছিল। কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন সেদিন কী হয়েছিল। সেই ঘটনা আমাদের এখনো আবেগতাড়িত করে। সেই নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে অন্যান্য মতাদর্শের ভাইয়েরা বুমেরাং হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। নবীনবরণ আয়োজনের পর আমাদের চার ভাই আর ঘরে ফিরে যেতে পারেনি। তাদের আঘাতে আমাদের চারজন ভাই শহীদ হয়েছিলেন। তারা হলেন সাব্বির ভাই, হামিদ ভাই, আইয়ুব ভাই এবং জব্বার ভাই। তারা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রথম শহীদ হিসেবে আজও বিবেচিত। এ ঘটনার পর থেকেই প্রতি বছর ১১ মার্চ ছাত্রশিবির ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে। এটি ছিল রাবি ছাত্রশিবিরের প্রতি জুলুমের ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, সেই দিন আজ পালটে গেছে। এই নবীনবরণ করতে গিয়ে আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছিল, আর আজ আমরা সেই অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পারছি এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। ১৯৮২ সালের পর আজই প্রথম আমাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে এত বড় নবীনবরণের আয়োজন করেছি। এর আগে ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করলেও সেখানে আমরা আমাদের বোনদের রাখতে পারিনি। কিন্তু এবার আমরা তা করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন বলেন, অতীতে আমার ছাত্ররা ৮-১০ হাজার টাকা দিয়ে হলে উঠতে হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার সিট বাণিজ্য হতো৷ আমরা হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন চালু করেছি৷ ফলে সিট বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। অতীতে তুচ্ছ কারণে আমাদের ছাত্রদের জীবন দিতে হয়েছে৷ এই ক্যাম্পাসে পদ্মা সেতুর জন্য টাকা উঠানো হয়েছিল। সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মানুষ মেরে ফেলেছে৷ তিনি আরও বলেন,আগস্ট বিপ্লবের ফলে ক্যাম্পাসের এইসব সংস্কৃতি পরিবর্তন হয়েছে৷ গত সপ্তাহে ১০ জনকে গাঁজাসহ আটক করেে প্রক্টরিয়াল বডি। এই ক্যাম্পাস মাদকের আখরা৷ নতুন শিক্ষার্থীদের আমি এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি৷ আজ যারা নবীনবরণ করছে তারা রাকসুতে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। ভোটে জয়ী হওয়ার একটা দায়বদ্ধতা আছে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্যাম্পাস গঠনে রাকসু প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা রয়েছে৷ এদিন নবীন বরণের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের নানা রকম উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়৷ পরে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসু ও চাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ইব্রাহিম হোসেন রনি। প্রধাম আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও আমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুল মোহাইমিন, কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও হল প্রভোস্ট, শাখা শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মির্জা ফখরুলের সমাবেশে অংশ নিবে না জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘বাঁচাও পদ্মা, বাঁচাও দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত গণসমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এ গণসমাবেশ। তবে দলের মহাসচিব উপস্থিত থাকলেও জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন না।

শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। তাদের অভিযোগ, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কর্মসূচিতে জেলা বিএনপিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন নদী পদ্মার ন্যায্য হিস্যার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধারাবাহিক কর্মসূচি চলছে। গত ২ নভেম্বর স্থানীয় শহীদ সাটু হলে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এ আন্দোলন শুরু হয়। এরপর থেকে প্রতিটি উপজেলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে বড় পরিসরে গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের সার্বিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। তাকে সহযোগিতা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া বলেন, “বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। দলের মহাসচিব আসছেন, অথচ জেলা বিএনপিকে কিছুই জানানো হয়নি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি গণসমাবেশে যোগ না দেওয়ার। পুরো আয়োজন সম্পর্কে জেলা বিএনপির কোনো ধারণা নেই। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পদ্মা নদীর পানির দাবি নিয়ে জনগণকে ব্ল্যাকমেইল করছেন দলের মনোনীত তিন প্রার্থী। এ বিষয়ে আমরা শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করব।”

কাশ্মীরে বিস্ফোরণে নিহত ০৯

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম পুলিশ স্টেশনে জব্দ করে রাখা বিস্ফোরকের স্তূপে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে নয়জন নিহত এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলের কর্মকর্তা, যারা বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তাও বিস্ফোরণে মারা যান। সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে আনা বিস্ফোরক পদার্থ পরিচালনা করার সময় শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণটি ঘটে। খবর-এনডিটিভি।

বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় নদীতে পড়ে দূর্বৃত্তের মৃত্যু

0
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধে সড়কের পাশে রাখা একটি বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় তুরাগ নদে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরেকজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা বলে জানিয়েছেন শাহ আলী থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম আযম। ওসি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বেড়িবাঁধের তামান্না পার্কের সামনে রাখা কিরণমালা পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আগুন দিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় তুরাগ নদে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারেনি শাহ আলী থানা পুলিশ। থানার এসআই আনোয়ার বলেন, বাসে আগুন লাগিয়ে পালানোর সময় জনগণের ধাওয়ায় একজন তুরাগ নদীতে পড়ে যান। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময় স্থানীয়দের হাতে রুদ্র মুহাম্মদ (২০) নামে আরেকজন আটক হয়। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুইজন দুর্বৃত্ত পার্কিং করা ঢাকা মেট্রো ব-১৩-১২৬২ নম্বর বাসে আগুন লাগিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ধাওয়া দিয়ে একজনকে আটক করে এবং অপরজন পালাতে গিয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে তাকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রামপুরায় দিনভর প্রাইভেট শিবিরের তৎপরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর রামপুরা, আফতাবনগর ও সংলগ্ন এলাকায় ১৩ তারিখ, বৃহস্পতিবার দিনভর সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রশিবির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখা। সকাল থেকেই সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

শিবিরের ক্যাম্পাসভিত্তিক কয়েকজন কর্মী জানান, আমরা ভোর থেকেই এলাকায় অবস্থান নিচ্ছি। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিবির নেতা বলেন, “জঙ্গিবাদী সংগঠন লীগকে রুখে দিতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। দেশকে স্থিতিশীল রাখতে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিবির কর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রামপুরা, আফতাবনগর ও প্রধান সড়কগুলোতে শিবিরের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। এখন পর্যন্ত কোনো অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি।” রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর মাঠে সক্রিয়তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে।

ছাত্রশিবির,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পশ্চিমের আয়োজনে রোবটিক্স ফেস্ট অনুষ্ঠিত

0
নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘ধ্বংস নয়, রোবটিক্স হোক সেবার হাতিয়ার’  এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি শাখা পশ্চিমের উদ্যোগে “ISMAIL AL- ZAZARI ROBOTICS FEST- 2025” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৯টায় রাজধানীর মিরপুর-১-এর ৮নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন শহিদ শাকিল পারভেজের গর্বিত পিতা।

শাখাটির সভাপতি রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ইসলামী ছাত্রশিবির বাংলাদেশের ছাত্রসমাজকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রশিবির একজন শিক্ষার্থীকে মন্বিত কর্মপরিকল্পনার আলোকে গড়ে তোলার চেষ্টা করে থাকে। একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা, সহযোগিতা, রুটিন মেনে চলা ও অনুপ্রেরণার জন্য যাবতীয় আয়োজন ছাত্রশিবির করে থাকে। পাশাপাশি সততা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে সর্বাত্ম প্রচেষ্টা চালিয়ে থাকে। তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাথে অপার সম্ভাবনার লুকিয়ে থাকে। যদি সে সততা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও সৃজনশীল চিন্তার চর্চা করে, তবে সে শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়, দেশেরও ভবিষ্যৎ আলোকিত করতে পারে। রোবটিক্স ফেস্টের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগের সুযোগ দেয়, তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও দলগত দক্ষতা বিকশিত করে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা কেবল বইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব জীবনে সমস্যা সমাধান, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সৃজনশীল উদ্যোগে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাক।” শাখা সেক্রেটারি মো. শান্ত তালুকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, কৃষিবিদ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো: আলী আফজাল, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। আওয়ামী সরকার কর্তৃক গুমের শিকার হয়ে ফিরে আসা ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমান। উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা, মানবসম্পাদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ ডা. রেজওয়ানুল হক, বিজ্ঞান সম্পাদক ডা. রিফাত আব্দুল্লাহ, এবং ডাকসু জিএস ও ঢাবি ছাত্রশিবির সভাপতি এসএম ফরহাদ। আয়োজনে Line Following Race, Mini Soccer, Robo Soccer এবং Project Showcase এই চারটি সেগমেন্টে রাজধানীর ৪০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০টি দলের পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে।

রাজশাহীতে বাসায় ঢুকে বিচারকের ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

0
ডেস্ক রিপোর্ট

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওসিফ রহমান (সুমন) ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর ডাবতলা এলাকার স্পার্ক ভিউ ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের বাসভবনে এ হামলা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই সময় লিমন মিয়া নামের এক যুবক বিচারকের বাসায় ঢুকে হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাওসিফ রহমান ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

এদিকে আহত অবস্থায় হামলাকারী লিমন মিয়াকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু সুফিয়ান জানান, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল কাজ করছে। হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়, তবে হামলাকারী তাদের পরিচিত ছিল। মাঝে মাঝে সে পরিবারের কাছে টাকা চাইত। এ বিষয়ে বিচারকের স্ত্রী লিমনের বিরুদ্ধে সিলেটের জালালাবাদ থানায় একটি জিডি করেছিলেন।

সাধারণ ডায়েরির কপি: সংগৃহীত

তিনি আরও বলেন, ‘হামলাকারী ও বিচারকের স্ত্রী দুজনই বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাই কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।’

স্পার্ক ভিউ ভবনের তিনতলায় বসবাসকারী আব্দুল লতিফ জানান, তার বাসায় যিনি গৃহপরিচারিকার কাজে সহায়তা করেন, তিনি বিচারকের বাসাতেও কাজ করেন। হামলার পর খবর পেয়ে তিনি পাঁচতলায় গিয়ে দেখেন, লিমন ও তাওসিফ আহত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে এবং বিচারকের স্ত্রীও পাশে আহত অবস্থায় রয়েছেন। এরপর তারা সবাইকে হাসপাতালে পাঠান।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও মুখপাত্র ডা. শঙ্কর কে বিশ্বাস জানান, নিহত তাওসিফের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, গুরুতর আহত বিচারকের স্ত্রী ও হামলাকারী লিমন মিয়াকে সার্জারি ওয়ার্ড থেকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে, তবে তারা এখনও আশঙ্কামুক্ত নন।

নাজমুলের সেঞ্চুরির দিনে জয় দেখছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক


সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের বিকেলটা ছিল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের। ড্রেসিংরুম থেকে ব্যাটসম্যানরা মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে ওঠা স্লোগান; কখনো ‘লিটন’, কখনো ‘শান্ত’ স্টেডিয়ামজুড়ে উচ্ছ্বাসের আবহ তৈরি করেছিল। আর ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে বল লাগার শব্দে নীরব গ্যালারি মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের সেঞ্চুরি উদ্‌যাপন
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের সেঞ্চুরি উদ্‌যাপন। ছবি: বিসিবি

ব্যাটসম্যানদের পর দিনশেষে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশের বোলাররাও। প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান তুলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৩০১ রানে যা ঘরের মাঠে তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস সংগ্রহ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ২৯ ওভারে ৮৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে তৃতীয় দিন শেষ করেছে।

মাইলফলকের হাতছানি হাতছাড়া হলেও বাংলাদেশের ইনিংস থামেনি

দিন শুরুতে বাংলাদেশের সামনে ছিল দুটি সম্ভাব্য সেঞ্চুরি ও একটি ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্ন। ওপেনার মাহমুদুল হাসান দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিলেন ১৬৯ রানে, কিন্তু আজ যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ২ রান।
মুমিনুল হকও তাঁর ৯৮ থেকে মাত্র ২ রান যোগ করে ৮২ রানে আউট হন।

সিলেট টেস্টে জয়ের সুবাদ পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। ছবি: বিসিবি

তবে ব্যাটিং থামেনি। দায়িত্ব নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৭৯ রান যোগ করেন। এরপর লিটন দাসের সঙ্গে খেলা আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে, দুজন মিলে করেন ৭৯ রান, ওভারপ্রতি সাড়ে পাঁচের বেশি গতিতে।

অধিনায়কের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

লিটন ৬০ রানে দুর্দান্ত ক্যাচে আউট হলেও নাজমুল লড়াই চালিয়ে যান। চারদিক দিয়ে দারুণ শট খেলে ১১৩ বলে ১০০ রানের ইনিংস উপহার দেন।
এটি তাঁর অষ্টম টেস্ট সেঞ্চুরি, এবং অধিনায়ক হিসেবে চতুর্থ, মুশফিকুর রহিমকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সামনে বড় সম্ভাবনা তৈরি করছে শান্তকে।

বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটসম্যানই ফিফটি করায় দল সহজেই পৌঁছে যায় ৫৮৭/৮ ডিক্লেয়ার্ড। যা ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে করা ৫৬০ রানকে ছাড়িয়ে গেছে।

আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসের ধস

ইনিংস হার এড়াতে আয়ারল্যান্ডকে তোলার দরকার ছিল কমপক্ষে ৩০১ রান। কিন্তু শুরুতেই নাহিদ রানার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন কেইড কারমাইকেল।

দ্বিতীয় উইকেটে স্টার্লিং–টেক্টরের ৪৭ রানের জুটি কিছুটা আশা জাগালেও সেটি ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি।
স্টার্লিংকে শান্তর দারুণ রান আউটের পর আইরিশদের ব্যাটিং ধসে পড়ে। পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনজনই আউট হয়েছেন এক অঙ্কের ঘরে।

হাসান মুরাদ নিয়েছেন ২ উইকেট, তাইজুল ইসলাম নিয়েছেন ১ উইকেট, এবং তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হয়ে হ্যারি টেক্টর; এতে তাইজুল পেয়েছেন তাঁর ৫০০তম প্রথম শ্রেণির উইকেট

ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় আয়ারল্যান্ড। ছবি: বিসিবি

দিনশেষে আয়ারল্যান্ড ৮৬/৫, পিছিয়ে ২১৫ রানে

ম্যাচের চিত্র

আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি আগামীকাল অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে নিয়ে ব্যাটিং শুরু করবেন। তবে ম্যাচ বাঁচানোর পথ এখন অনেক কঠিনই হয়ে গেছে সফরকারীদের জন্য। ইনিংস হার এড়ানোই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

আয়ারল্যান্ড: ২৮৬ ও ২৯ ওভারে ৮৬/৫ (স্টার্লিং ৪৩, টেক্টর ১৮; মুরাদ ২/৮)। বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪১ ওভারে ৫৮৭/৮ ডি. (মাহমুদুল ১৭১, নাজমুল ১০০, মুমিনুল ৮২, সাদমান ৮০, লিটন ৬০; হামফ্রিস ৫/১৭০, ম্যাকার্থি ২/৭২)।

* ৩য় দিন শেষে।