বান্ধবী সহ আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে চবি ছাত্রদল নেতা আটক

  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে নিয়ে ক্যাম্পাস সংলগ্ন জোবরা এলাকার একটি বাসায় ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাকিফ রহমান। গতবছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, নিজের এমন অপকর্ম আড়াল করতে এ ঘটনায় অন্য দুই শিক্ষার্থীর নাম জড়ানোর চেষ্টা করেছেন ছাত্রদলের এই নেতা। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। গতকাল শনিবার (২৩ মে) গভীর রাতে জোবরা এলাকার চৌধুরী পুকুর ২নং রোড কে. জে. এম টাওয়ারের পাশের ভবন থেকে স্থানীয়দের হাতে আটক হন অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল সাকিফ রহমান। পরে তাকে উপস্থিত স্থানীয়রা মারধর করেন। এসময় তার সঙ্গে এক নারী সহপাঠী ছিলেন। যিনিও চবির শিক্ষার্থী। বাসাটিতে ছাত্রদলের ওই নেতা থাকতেন। এ ঘটনার আগে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) চাকসুর উদ্যোগে পর্দাশীল নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ক্যান্টিনে ‘ছাত্রী কর্নার’ চালু করা হলে তা নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করে শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়েন ছাত্রদলের এই নেতা। জানা যায়, ঘটনার পর ‘মিডিয়া অফ জোবরা-ফতেহপুর’ নামের একটি ফেসবুক পেজে শনিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টটির শুরুতে আব্দুল্লাহ আল সাকিফ রহমানের নাম ‘সাকিব রহমান’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সেটি পরিবর্তন করে রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজিফা তাসনিম প্রিয়ন্তীর নাম যুক্ত করা হয়। কিন্তু দোষ চাপানো এ দুই শিক্ষার্থী ঘটনার আগেই ঈদের ছুটিতে নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নাজিফা তাসনিম প্রিয়ন্তী আগেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন। এছাড়া মিডিয়া অফ জোবরা- ফতেহপুর পেজের বিষয়টি নজরে এলে আব্দুল্লাহ আল মামুন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে আজ সকালে তিনি সিরাজগঞ্জের নিজ বাড়ির সামনে থেকে লাইভে এসে বলেন, গত ২২ তারিখ আমি আমার কয়েকজন বন্ধুর সাথে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে এসেছি। আমি এখনো বাড়িতে। সম্পূর্ণ ভুয়া তথ্য দিয়ে আমাদের নাম জড়ানো হয়েছে এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জানা গেছে, গত ৩ মে প্রিয়ন্তী শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর ও হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো এবং ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে প্রক্টর বরাবর বিচার দাবি করেন। এদিকে আব্দুল্লাহ আল সাকিফ রহমান ও মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন দুজনেই শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়ের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে সক্রিয়। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সাকিফ রহমানকে একাধিকবার ফোন করলে তার নাম্বার ব্যস্ত পাওয়া যায়। তবে এর আগে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ও (মেয়ে) সকাল ৬টার বাসের টিকিট কেটেছিল। আমরা কয়েকজন মিলে রাতে ঘুরাঘুরি ও নাইট আউট করার পরিকল্পনা করেছিলাম। খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় প্রথমে হাটহাজারীতে খেতে যাই। পরে জোবরা এলাকার একটি দোকানের সামনে মারামারির পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সে ২ নম্বর গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার কথা বলে। তিনি আরও বলেন, আমার বাসার সামনে আসার পর তাকে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু সেখানে কয়েকজন ছেলে অবস্থান করছিল, তাই জায়গাটি নিরাপদ মনে হয়নি। পরে তাকে বাসার ভেতরে বসতে বলি এবং জানাই যে আমি গোসল করে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যাব। আমি গোসলে ঢোকার কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় কয়েকজন দরজায় নক করতে শুরু করে। দরজা খুললে তারা জানতে চায় বাসার ভেতরে কোনো মেয়ে আছে কি না। আমি তাদের পুরো বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করি। গোসল থেকে বের হওয়ায় তখন আমার শরীর ভেজা ছিল এবং গায়ে কাপড় ছিল না। একপর্যায়ে তারা আমাদের মানিব্যাগ ও ল্যাপটপ নিয়ে যায়। জানতে চাইলে চবি শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করেছি। তদন্তের মাধ্যমে যদি সে দোষী সাব্যস্ত হয় তাহলে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেন্দ্র মিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যায়কারী যে-ই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে চবির সহকারী প্রক্টর ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, এরকম একটা ঘটনার খবর পেয়ে আমরা গিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিয়ে আসি। ঈদের ছুটি থাকায় পরবর্তীতে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেটি বিশ্ববিদ্যালয় নেবে।

বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর পুরুষ উগান্ডার কৃষক মুসা!

  উগান্ডার কৃষক মুসা হাসাহিয়া কাসেরা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উর্বর পুরুষ’ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। দাবি করা হচ্ছে, তার ১২ জন স্ত্রী, ১০২ সন্তান এবং ৫৭৮–এর বেশি নাতি–নাতনি রয়েছে। বিশাল এই পরিবার নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। ৬৮ বছর বয়সী মুসা জানান, আফ্রিকার গ্রামীণ সমাজে আগে বড় পরিবারকে সামাজিক মর্যাদা ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। কৃষিকাজে বেশি মানুষের অংশগ্রহণের জন্যও বড় পরিবারকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে এত বড় পরিবার পরিচালনা করতে হিমশিম খাচ্ছেন মুসা। তিনি জানান, কৃষিকাজের আয় দিয়ে খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনকি অনেক সন্তানের নাম মনে রাখতে না পেরে তিনি নোটবুকে সবার নাম লিখে রাখেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক সময়ে এত বড় পরিবার অত্যন্ত বিরল এবং এটি শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়, বরং আফ্রিকার গ্রামীণ সমাজ, জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি।

কুবিতে ঈদুল আজহার দিন মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করবে কুবি ছাত্রশিবির

  কুবি প্রতিনিধি : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদের দিন ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা। শুক্রবার (২২ মে) সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। ছাত্রশিবির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ‘মেজবান-ই-ঈদ’-এর আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের সময় অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ব্যস্ততা এবং কর্মচারীরা দায়িত্ব পালনের কারণে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেন না। সবার মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষুদ্র প্রয়াস থেকেই আমাদের এ আয়োজন। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এ আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’ এ আয়োজন সম্পর্কে ছাত্রশিবির কুবি শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘প্রত্যেক ঈদেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অধিকাংশই বাড়িতে চলে যান। তবে কিছু শিক্ষার্থী টিউশন, পড়াশোনা বা পারিবারিক বিভিন্ন কারণে ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন। প্রতি বছরের মতো এবারও তাদের জন্য কোরবানির হাদিয়া ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, ঈদের দিন সকালে সবার কাছে খাবার ও হাদিয়া পৌঁছে দেওয়া হবে। আমরা চাই, পরিবারের বাইরে থাকলেও তারা যেন ঈদের আনন্দ অনুভব করতে পারেন।’

জাবিতে গাঁজা সেবনের সময় ব্রাক ইউনিভার্সিটির দুই শিক্ষার্থী আটক

  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অতিথি হিসেবে এসে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ‎ ‎শুক্রবার (২২ মে) আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সুইমিংপুল’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক দুই শিক্ষার্থী হলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার-২২ সেশনের শিক্ষার্থী আলী কারিম এবং স্প্রিং-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী খন্দকার মেহরুন নেছা সুবাহ। ‎ ‎জানা যায়, তারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৫১তম ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে ক্যাম্পাসে আসেন। ‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সুইমিংপুল’ এলাকায় গাঁজা সেবনের সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ‎পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালত প্রত্যেককে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। ‎ ‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক গণমাধ্যমকে জানানো হয়, ক্যাম্পাসে মাদক ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ ধরনের ঘটনায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

না.গঞ্জে ছ’বছরের শিশুকে ধর্ষণ: ধর্ষককে গণপিটুনি

  নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে মনির হোসেন হিরো (২২) নামের অভিযুক্ত এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সোহেল (২২) নামের অপর এক যুবক পলাতক রয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে মুন্সীগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৫টার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত মনির হোসেন হিরো ও সোহেল নামের দুই যুবক শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে। কিছু সময় পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পান। মুন্সীগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন। স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পারলেও লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু জানাননি। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হতে থাকলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত মনির হোসেন হিরোকে ধরে গণপিটুনি দেয়। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ নদীপথে ট্রলারে করে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। এলাকাটি মুন্সিগঞ্জের সীমানার খুব কাছাকাছি। আমরা পুরো বিষয়টি তদন্ত করছি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভিং সিটে প্রধানমন্ত্রী!

  ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত স্পোর্টস কার ও ইভি (ইলেকট্রিক ভেহিকল) বিষয়ক বিশেষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৩ মে) সকালে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন যানবাহন পরিদর্শনের পাশাপাশি একটি কাভার্ড ভ্যান নিজেই চালিয়ে দেখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এমন অংশগ্রহণ উপস্থিত অতিথি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে। প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অত্যাধুনিক স্পোর্টস কার, চার্জচালিত প্রাইভেট কার, ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল এবং বাণিজ্যিক পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ইভি কাভার্ড ভ্যান প্রদর্শন করা হয়। প্রযুক্তিবান্ধব ও পরিবেশসম্মত যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহন শিল্পের সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তিনি আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থায় ইলেকট্রিক যানবাহনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশ রক্ষায় ইভির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বৈদ্যুতিক যানবাহনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে নগর পরিবহনে ইভি প্রযুক্তির বিস্তার পরিবেশ দূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ইভি উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহও প্রকাশ করেছে। প্রদর্শনী শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ময়মনসিংহের ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি খালখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এছাড়া বিকেলে স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ারও কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এসপি মাসুদ আলমের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

  চট্টগ্রামের নবাগত জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বিপিএমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জেলা জামায়াত নেতারা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় এসপি মাসুদ আলমকে ইসলামিক বই উপহার দেন জামায়াত নেতারা। সাক্ষাৎকারী দলের নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামসহ নেতারা। আলোচনায় জামায়াত নেতারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, শান্তি-সম্প্রীতি, দেশপ্রেম ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠন প্রক্রিয়াতেও দলটির গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তারা উল্লেখ করেন।
এ সময় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়। বিশেষ করে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া ও পটিয়ায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কিশোর গ্যাং ও অপরাধপ্রবণ চক্রগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জবাবে জেলা এসপি মো. মাসুদ আলম বলেন, অতীতে দায়িত্ব পালনকালে আপনাদের সহযোগিতা পেয়েছি। চট্টগ্রামেও দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা আশা করছি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামকে আরও সুন্দর ও নিরাপদ নগরীতে পরিণত করার চেষ্টা করব। উল্লেখ্য, মো. মাসুদ আলম গত ৭ মে চট্টগ্রামের জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  

শিক্ষার্থীদের ঈদযাত্রায় বিভাগীয় শহরে বাস দিচ্ছে কুবি প্রশাসন

  কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ( কুবি ) পবিত্র ঈদ উল আযহার বন্ধে শিক্ষার্থীদের ঈদযাত্রা ভোগান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে সাতটি বিভাগীয় শহরে বাস দিচ্ছে কুবি প্রশাসন। বুধবার ( ২০ মে ) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ মোশারফ হোসেন ভূইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী,ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম এই সাতটি বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় বাস দেওয়া হবে। এজন্য কোন বিভাগের কতজন শিক্ষার্থী আছে তার তালিকা চাওয়া হয়েছে। আগামীকাল রাতে বাস ছাড়া পরিকল্পনা রয়েছে।’ উল্লেখ্য, যে সকল শিক্ষার্থী উল্লেখিত শহরে যেতে আগ্রহী, তারা আগামীকাল সকাল ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আঞ্চলিক সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সাথে যোগাযোগ করে পরিবহন পুলে তথ্য জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

শিশু রামিসা ধ/র্ষ/ণ-হ/ত্যা/কা/ণ্ডে/র বিচারের দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  কুবি প্রতিনিধি: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভকারীরা এ ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানার মৃত্যুদণ্ড ও জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবি জানান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকদের ঠাঁই নেই’, ‘বিচার চাই বিচার চাই, ধর্ষকের বিচার চাই’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বিচারের জন্য কোন কার্ড?’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালো একসাথে’ এবং ‘সারা বাংলায় ধর্ষণ চলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করে?’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেন। দেশে ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বক্তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার কার্যকর এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াকুত ফাতেমি বলেন, “বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের আর আস্থা নেই। প্রশাসন যদি বিচার করতে না পারে, তাহলে জনগণ বিচার নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে। আমরা ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।” আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বায়েজিদ বলেন, “এই ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়।” তিনি সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে বলেন, “দেশের সব ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করা হলে কয়েকটি ‘এপস্টিন ফাইল’-এর মতো নথি তৈরি করা সম্ভব হবে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষকরা অল্প কিছুদিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আবার স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়ায়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ধর্ষকদের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।” পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন বলেন, “বারবার আমাদের মা-বোনেরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। আর আমাদের রাস্তায় নেমে বিচার চাইতে হচ্ছে। প্রতিদিনই দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে। এটি শুধু সামাজিক অবক্ষয় নয়, বিচার ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থারও প্রতিফলন।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে ধর্ষণের বিচার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আমরা চাই, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব মামলার বিচার কার্যকর করা হোক, যাতে কেউ আর ধর্ষণের চিন্তাও মাথায় আনতে না পারে।” লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, “আমরা এমন এক দেশে বসবাস করছি, যেখানে হত্যা, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। আমাদের বোনেরা ও সহপাঠী নারী শিক্ষার্থীরাও আজ কোথাও নিরাপদ নয়। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। আমরা সরকারের কাছে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

ডুয়েট আন্দোলন ঘিরে জিএমপি কমিশনারের সঙ্গে ছাত্রশিবির নেতাদের সাক্ষাৎ

  ডুয়েট প্রতিনিধি: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) কেন্দ্রিক চলমান আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ডুয়েটে চলমান ভিসিবিরোধী আন্দোলনকে ছাত্রশিবিরের আন্দোলন হিসেবে উপস্থাপন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের দুষ্কৃতকারী হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে বহিরাগত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানানো হয়। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ, সেক্রেটারি তাসনীম আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম লিমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ বলেন, “ডুয়েটের ভিসিবিরোধী আন্দোলন ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। কিন্তু একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ আন্দোলনের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের বিচার চাই।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা না করে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। অন্যথায় ক্যাম্পাসে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে।
জিএমপি কমিশনারের সাথে ডুয়েট ছাত্রশিবির প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
সাক্ষাৎকালে জিএমপি কমিশনার ঈসরায়েল হাওলাদার বলেন, “ঘটনার ক্ষেত্রে তথ্যের ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে।” একইসঙ্গে তিনি ডুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য, ডুয়েটে চলমান আন্দোলনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভিসির পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতরা হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে বিভিন্ন মহলে আন্দোলনের পেছনে ছাত্ররাজনীতির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সংলাপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।