ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইফতার ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
‘জাতীয় পতাকা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন’— ঢাবি উপাচার্য
চবি শাখা ছাত্রদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজে দাওয়াহ সোসাইটি ও মেডিসিন ক্লাবের আয়োজনে রমাদান গাইডলাইন এবং হাফেজে কুরআন রিসিপশন’২৬ অনুষ্ঠিত
পরিবর্তনের শুরু হোক এ মাস থেকে
সিয়াম পালন করার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন (সহিহ বুখারী-১৮৯৪)। এমন একটি বরকতপূর্ণ মাস আমাদের সামনে প্রতিবছরই আসে যে মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শিকলবন্দী করা হয়। কিন্তু এ মাসে আমরা শুধু পানাহার বর্জন এবং কিছু আনুষ্ঠানিক ইবাদতের মাধ্যমেই কাটিয়ে দেই। এ মাসের মূল উদ্দেশ্য- তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন, এ থেকে আমরা বরাবরের মতোই দূরে সরে যাই। অন্য সময়ের মতো ফ্রি-মিক্সিং, অশ্লীলতা, প্রতারণার মতো গুণাহে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে জড়াচ্ছি। দিনের বেলায়ও অনেক হোটেল, রেস্তোরাঁয় পর্দা লাগিয়ে খানাপিনা চলে। আর রমজান মাস আসলেই যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি হওয়া একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে অন্যান্য মুসলিমপ্রধান দেশে রমজান আসলে জিনিসপত্রের দাম কমে সেখানে আমাদের দেশে অতিরিক্ত শুল্ক বাড়িয়ে সেটার দাম বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়। যেন এ মাস পুরোটা ব্যবসায় লাভবান হওয়ার মৌসুম। রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হচ্ছে লাইলাতুল ক্বদর যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম, যে রাতে কুরআন নাযিল হয়েছে (সূরা ক্বদর-১-৩)। রমজানের শেষ দশকে এ রাত অন্বেষণ করতে বলা হয়েছে, সেখানে আমরা কেনাকাটা আর আমোদপ্রমোদে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। আবার, অনেকেই শুধু ২৭-এর রাতকেই লাইলাতুল ক্বদর হিসেবে উদযাপন করি, যা নিতান্তই ভুল। এ রাতের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাতকে আমরা যারা অবহেলায় কাটিয়ে দিচ্ছি, তাদের মতো হতভাগ্য আর কেউ নেই। রমজান আমাদের মধ্য থেকে প্রতিবছরই এভাবে চলে যায় কিন্তু আমরা এর যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্পর্কে বলেন, ঐ ব্যক্তি ধ্বংস হোক, যে রমজান পেল অথচ নিজের গুণাহ মাফ করাতে পারলো না (বায়হাকি-১৫৭২)। তাই আসুন, আমরা এই বরকতপূর্ণ (রমজান) মাস কাজে লাগাই। আমলের বসন্ত হয়ে উঠুক এই মাস।লেখক: শিক্ষার্থী,আইন বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
নতুন বাংলাদেশের সন্ধানে
জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে নতুন এক সন্ধিক্ষণ আমাদের সামনে হাজির হয়েছে। রাষ্ট্র মেরামতের জন্য আমরা কতটুকু উদার তার কিছুটা বিপ্লব পরবর্তী সময়ে চোখে পড়েছে। এবার নির্বাচনের মাধ্যমে জাতি কাদেরকে ক্ষমতার মসনদে বসাবে তা দেখার বিষয়। আশা রাখবো, সঠিক নেতৃত্বই আগামীতে আমাদের দেশ পরিচালনা করবে। বেঠিক কোন নেতৃত্ব এলে দেশ যেমন গোল্লায় যাবে, তেমনি স্বাধীন সার্বভৌমত্বও হুমকির মুখে পড়ে পুরো জাতি ঘনকালো অমানিশার মধ্যে নিমজ্জিত হবে।এই ফেব্রুয়ারী মাস যেভাবে আমাদের জন্য ভাষার মাস হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ, সেভাবে আরেক বেদনাবিধুর অধ্যায়! ২০০৯ সালে পিলখানা ট্র্যাজেডির মাধ্যমে আমরা হারিয়েছিলাম দেশপ্রেমিক সামরিক কর্মকর্তাদের। বিদ্রোহের নামে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পর ১৭ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো কেন এই হত্যাকাণ্ড কি কেবল একটি ‘বিদ্রোহ’, নাকি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? এই প্রশ্নের জবাব সঠিকভাবে তুলে ধরেনি তা ভাবার বিষয়।
এখন আমাদের সামনে দেখার পালা, আগামী দিনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসবে তারা সঠিক তদন্ত ও বিচার করে এর সত্যতা কতটুকু উন্মোচন করে।আমাদের জন্য আফসোস, বীর বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকান্ডের বিচার এখনো দেখতে পারিনি।এ ঘটনা আমাদের জন্য যতটা দুঃখের সেই সাথে রাষ্ট্রীয় কাঠামো কতটা ভঙ্গুর সেটিও মনে করিয়ে দেয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস এগুলো এখন হাসির খোরাকে পরিণত হচ্ছে। বিপ্লবী শহীদ ওসমান হাদী যে ইনসাফের বার্তা আমাদের মাঝে জ্বালিয়ে গিয়েছেন তা সত্যিই আলোকবর্তিকা হয়ে থাকুক, সেই প্রত্যাশা করছি। আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমাদান। রমাদান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা আত্ম গঠনে মনোযোগী হবো। আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মহা সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমাজকে বদলে দেওয়ার শপথ করবো। সময় এবং সুযোগ এসেছে পরিবর্তনের। তাই সিদ্ধান্ত নিতে ভুল না করে দেশে চাবি পরিবর্তনের দায়িত্ব আমানতদার, ইনসাফ ও ন্যায়ের বার্তাবাহীদের উপর ন্যস্ত করতে হবে। প্রিয় লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী! দেখা হবে আরেক বাংলাদেশে, যেখানে নব ইশতেহারের আলোকে দেশ সাজবে!
পিলখানা ট্র্যাজেডি: সতেরো বছর ধরে বয়ে চলা এক রাষ্ট্রীয় ক্ষত
রাজনীতি নিষিদ্ধ সত্ত্বেও অধ্যক্ষের ছাত্রদলের কর্মসূচি উদ্বোধন, শিবিরের ইফতারে নিষেধাজ্ঞা।
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি

পবিত্র রমজান উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করার পর ইসলামী ছাত্রশিবির–এর কার্যক্রম ঘিরে রাজনৈতিক সভা–সেমিনারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রশাসন। কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদের দপ্তর থেকে জারি করা জরুরি নোটিশে একাডেমিক কার্যক্রম ছাড়া সব ধরনের রাজনৈতিক ও পেশাজীবী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইফতার ঘোষণার পরই জরুরি নোটিশ

ছাত্রশিবির সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঢামেক ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ছাত্রীদের জন্য ইফতার ও মেহেদি উৎসব এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের জন্য ইফতার মাহফিল আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল।
তবে আলোকসজ্জার প্রস্তুতি শুরু হলে কলেজ প্রশাসন তা বন্ধ করে দেয়। এর আগের দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষের দপ্তর থেকে দেওয়া এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, কলেজের ভবন ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক, পেশাজীবী বা বহিরাগত সংগঠনের সভা, সেমিনার বা আলোচনা আয়োজন করা যাবে না।

নোটিশে বলা হয়, এ নির্দেশনা কলেজের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য বাধ্যতামূলক।
আগেই ছিল ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ঢামেক ক্যাম্পাস, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাস ও ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীবাসে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে বা গোপনে ছাত্ররাজনীতি করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
ছাত্রশিবিরের অভিযোগ: একপক্ষের জন্য সুযোগ, অন্যপক্ষের জন্য বাধা
ছাত্রশিবিরের ‘মেডিকেল জোন’ শাখার সেক্রেটারি ডা. জুলফিকার আলী অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচি ঘোষণার পরপরই প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে, কিন্তু প্রশাসন সে বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
তার ভাষ্য, “আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো কমিটি নেই এবং আমরা ক্যাম্পাসের বাইরে রাজনৈতিক কার্যক্রম করি। অথচ শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠনমূলক একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ–এর প্রভাবেই প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অধ্যক্ষের বক্তব্য: প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা
অভিযোগের বিষয়ে ঢামেকের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে এবং এ নীতির বাইরে কোনো কার্যক্রম অনুমোদিত নয়।
তিনি বলেন, “কিছু শিক্ষার্থী মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছে। আমরা তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।”
ক্যাম্পাসে ছাত্রদল বা অন্য সংগঠনের দৃশ্যমান কার্যক্রমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রয়োজন।

বিতর্কের কেন্দ্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা
ছাত্রশিবিরের অভিযোগ এবং প্রশাসনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ঢামেক ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম দৃশ্যমান, যা প্রশাসনের নীতির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
পুলিশি হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর পুলিশের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনাকে পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতির প্রতিধ্বনি বলে মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতিরই প্রতিধ্বনি।”
ফেসবুক পোস্টে তিনি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কে একটি কঠিন অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই সময়ে কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা রাজনৈতিক স্বার্থে কাজ করেছেন, যার ফলে জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বাহিনীর নৈতিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, “গতকাল নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
পুলিশ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পুলিশকে জনবান্ধব হতে হবে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “আইনের শাসন মানে শক্তির প্রদর্শন নয়, ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখতে চাই।”
