Thursday, April 30, 2026
হোমসম্পাদকীয়সম্পাদকীয়:মার্চ'২৬

সম্পাদকীয়:মার্চ’২৬

প্রিয় পাঠক!

সীমাহীন আনন্দ ও খুশির বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতর মুসলমানদের মাঝে এক আধ্যাত্মিক শক্তির সৃষ্টি করে। যে শক্তিতে তারা ফিরে পায় আনন্দের এক ভিন্ন অনূভুতি।

তরুণ প্রজন্মের  জন্য সুস্থ সংস্কৃতির মাধ্যমে ঈদ উদযাপন নিয়ে কবি আবদুল হাই শিকদারের  বিশেষ বার্তা হলো; আমাদের প্রফেট, আমাদের রসূলের জীবনকে অনুসরণ করা;তিনি ঈদের দিন সকালবেলা কী করতেন, সারাদিন কী করতেন;সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সেই কাজগুলো করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। ঈদ খালি ব্যক্তিগতভাবে খুশি হওয়া বা ফুর্তি করা না;সোসাইটির সবাইকে নিয়ে উদযাপনের আবহ তৈরি করতে হবে।

স্বাধীনতা দিবস আমাদের আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা কোনো সহজলভ্য বিষয় নয়; এটি অর্জন করতে হয়েছে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে।

স্বাধীনতার চেতনা কেবল একটি ঐতিহাসিক বিষয় নয়; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। নতুন প্রজন্মের দায়িত্ব হলো মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা ও তা ধারণ করা। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমরা ভেবেছিলাম দেশ থেকে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিদায় হবে। তবে লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে, কতিপয় বিপথগামী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠা দুষ্কৃতকারী আবার সেই আগের দুর্বৃত্তায়নে লিপ্ত। এদের সমূলে উৎখাত করতে হবে। দেশের শান্তি বিনষ্টকারীদের সাথে কোন প্রকার আপোষে যেন কেউ না যায়।

অনেকে বিভিন্ন কারনে কম সিজিপিএ নিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করে। তারা একপ্রকার ভেবেই নেয়,হয়তো উচ্চ শিক্ষার কোন পথ আমার সামনে খোলা নাই। এটা ভুল ধারণা। কম সিজিপিএ নিয়ে অন্যান্য যোগ্যতা অর্জন করে উন্নত বিশ্বে স্কলারশিপে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাওয়া এখন আরও বেশি সহজ হয়েছে। প্রয়োজন শুধু নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় মনোবল।

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলীয় আগ্রাসনের প্রভাব বিশ্ব বানিজ্য ব্যবস্থাকে অশান্ত করে তুলছে ক্রমশ। বিশেষত জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করার আভাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মধ্য-পাচ্যের শ্রমবাজারে আমাদের দেশের অসংখ্য রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিয়োজিত আছে। তাদের জন্য আমরা আশংকা প্রকাশ করছি। সরকারের প্রতি প্রত্যাশা রাখছি, অন্তত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিরাপত্তার জন্য দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আমরা বিশ্বাস করি, চলমান অস্থিরতা কেটে বিশ্ব সাজুক এক সুন্দর পরিবেশে। যেখানে থাকবে না আগ্রাসন। থাকবে না একে অপরের প্রতি জোচ্চুরি। সাথে আমাদের দেশটাও সাজুক নতুনভাবে। ধর্ম-মত নির্বিশেষে সবাই ঈদুল ফিতরের শিক্ষা গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে চলার শপথ গ্রহণ করলে তাতেই থাকবে কল্যাণ।

আমাদের সর্বস্তরের পাঠক, লেখক, শুভানুধ্যায়ী,বিজ্ঞাপনদাতাদের জানাই আবারও ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা “ঈদ মুবারক”।

 

এই সম্পর্কিত আরও আর্টিকেল দেখুন

একটি উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বাধিক পঠিত