গনহত্যার অভিযোগে পলাতক শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রথম অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং দ্বিতীয় অভিযোগ ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ছয়টি অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার।
মামলার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে জুলাই-আগস্টে নৃশংস ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড, হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।
জ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্মিলনে তরুণদের নিয়ে বেসিসের উদ্যোগ ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা
ঢাকা, ১৫ নভেম্বর ২০২৫: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর উদ্যোগে এবং বেসিস স্টুডেন্টস’ ফোরামের সহযোগীতায় আজ বেসিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা। এই আয়োজনে অংশ নেয় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনার, কো-কনভেনার ও নির্বাহী সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহায়ক কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ এবং বেসিস সচিবালয়ের প্রতিনিধিরা।
বেসিস স্টুডেন্টস’ ফোরাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক চর্চার বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তি চর্চার কার্যক্রম শক্তিশালী করা, নেতৃত্বের বিকাশ, প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি—এসব লক্ষ্য সামনে রেখে ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিগুলোর এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে গত বছরের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পর্যালোচনা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়, আগামী বছরের পরিকল্পনা এবং বেসিসের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগসমূহের সঙ্গে শিক্ষার্থী কার্যক্রমের সামঞ্জস্য—এসব বিষয় গুরুত্ব পায়। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনা পর্ব এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান বলেন, “আমাদের তরুণ সমাজই আগামী দিনের প্রযুক্তি খাতের আসল চালিকাশক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা যদি হাতে–কলমে শেখে, শিল্পের চাহিদা বুঝে দক্ষতা গড়ে তোলে, তাহলে বাংলাদেশের আইসিটি খাত আরও গতিশীল হবে। স্টুডেন্টস’ ফোরামের নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন, তারা এই পরিবর্তনের সামনের সারির শক্তি। বেসিস সবসময় তাদের পাশে থাকবে।”
বেসিস বিশ্বাস করে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্টুডেন্টস’ ফোরামের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয় আরও দৃঢ় হবে, নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে এবং ২০২৬ সালের কার্যক্রমের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানীদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ
অনলাইন ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল। সেটা পরবর্তীতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে সেটি সংবিধানে পুনর্বহাল করা হবে।
আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কওম হিসেবে, মুসলমান হিসেবে বিভক্তি এবং দুর্বলতার কারণে ফিলিস্তিনের গাজাবাসী, আরাকানের রোহিঙ্গাসহ সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের দেয়, এ দেশের জনগণ যদি আমাদের মহব্বত করে দায়িত্ব দেয়, যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন, মঞ্চে উপবিষ্ট যারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পীরে কামেল, হজরত, ওলামায়ে কেরাম, আমাদের দেশের বুজুর্গানে দ্বীন যারা আমাদের পরিচালিত করেন, সবাই যদি আপনারা সহযোগিতা করেন, একসাথে থাকেন, তাহলে আপনাদের এখানে আজকে যে সমস্ত দাবি-দাওয়া আছে, আমরা সকল দাবি-দাওয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ইনশাআল্লাহ।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘কানুনি সকল ব্যবস্থা জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। এ জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাই হোক, আপনারা যে ভাষায় আমাকে কথা বলতে বলছেন, সেটি আইনের ভাষা নয়। আইনের ভাষা হচ্ছে এগুলো কার্যকর করার জন্য, এই প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা দেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করব।’
জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে
ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে। এ বিষয়ে দেশে বা মুসলিম বিশ্বে কোথাও কোনো দ্বিমত নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ ঘোষণা দেন।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আজকের এই সমাবেশে শুধু বাংলাদেশের মুসলমান নয়— গোটা মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার বিষয়ে সবার অবস্থান এক।
তিনি আরও বলেন, রাসুল সা. বহু হাদিসে ঘোষণা দিয়েছেন— তিনিই শেষ নবী, তার পরে আর কোনো নবী আসবে না। এই আকিদা ইসলামি উম্মাহর সর্বসম্মত বিশ্বাস। বাংলাদেশের জনগণ যদি আমাদের নির্বাচিত করে তাহলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
রাবিতে দীর্ঘ চার দশক পরে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ
রাবি প্রতিনিধি :
৪২ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে নবীনবরণ আয়োজন করল ইসলামী ছাত্রশিবির। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় রাবি ইসলামী ছাত্রশিবির।
জানা গেছে, সংগঠনটির ক্যাম্পাসে সর্বশেষ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮২ সালে। সেদিন শাখা ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগের বাধা ও পরবর্তী সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের চার কর্মী নিহত হন। এরপর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে শিবির তাদের নবীনবরণ আয়োজন ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করে আসছিল।
রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ ছাত্রশিবির রাবি শাখা নবীনবরণ আয়োজন করতে চেয়েছিল। কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন সেদিন কী হয়েছিল। সেই ঘটনা আমাদের এখনো আবেগতাড়িত করে। সেই নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে অন্যান্য মতাদর্শের ভাইয়েরা বুমেরাং হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। নবীনবরণ আয়োজনের পর আমাদের চার ভাই আর ঘরে ফিরে যেতে পারেনি। তাদের আঘাতে আমাদের চারজন ভাই শহীদ হয়েছিলেন। তারা হলেন সাব্বির ভাই, হামিদ ভাই, আইয়ুব ভাই এবং জব্বার ভাই। তারা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রথম শহীদ হিসেবে আজও বিবেচিত। এ ঘটনার পর থেকেই প্রতি বছর ১১ মার্চ ছাত্রশিবির ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে। এটি ছিল রাবি ছাত্রশিবিরের প্রতি জুলুমের ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, সেই দিন আজ পালটে গেছে। এই নবীনবরণ করতে গিয়ে আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছিল, আর আজ আমরা সেই অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পারছি এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। ১৯৮২ সালের পর আজই প্রথম আমাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে এত বড় নবীনবরণের আয়োজন করেছি। এর আগে ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করলেও সেখানে আমরা আমাদের বোনদের রাখতে পারিনি। কিন্তু এবার আমরা তা করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন বলেন, অতীতে আমার ছাত্ররা ৮-১০ হাজার টাকা দিয়ে হলে উঠতে হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার সিট বাণিজ্য হতো৷ আমরা হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন চালু করেছি৷ ফলে সিট বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। অতীতে তুচ্ছ কারণে আমাদের ছাত্রদের জীবন দিতে হয়েছে৷ এই ক্যাম্পাসে পদ্মা সেতুর জন্য টাকা উঠানো হয়েছিল। সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মানুষ মেরে ফেলেছে৷ তিনি আরও বলেন,আগস্ট বিপ্লবের ফলে ক্যাম্পাসের এইসব সংস্কৃতি পরিবর্তন হয়েছে৷ গত সপ্তাহে ১০ জনকে গাঁজাসহ আটক করেে প্রক্টরিয়াল বডি। এই ক্যাম্পাস মাদকের আখরা৷ নতুন শিক্ষার্থীদের আমি এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি৷ আজ যারা নবীনবরণ করছে তারা রাকসুতে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। ভোটে জয়ী হওয়ার একটা দায়বদ্ধতা আছে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্যাম্পাস গঠনে রাকসু প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা রয়েছে৷ এদিন নবীন বরণের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের নানা রকম উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়৷ পরে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসু ও চাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ইব্রাহিম হোসেন রনি। প্রধাম আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও আমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুল মোহাইমিন, কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও হল প্রভোস্ট, শাখা শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মির্জা ফখরুলের সমাবেশে অংশ নিবে না জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘বাঁচাও পদ্মা, বাঁচাও দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আয়োজিত গণসমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এ গণসমাবেশ। তবে দলের মহাসচিব উপস্থিত থাকলেও জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন না।
শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। তাদের অভিযোগ, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কর্মসূচিতে জেলা বিএনপিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন নদী পদ্মার ন্যায্য হিস্যার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধারাবাহিক কর্মসূচি চলছে। গত ২ নভেম্বর স্থানীয় শহীদ সাটু হলে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে এ আন্দোলন শুরু হয়। এরপর থেকে প্রতিটি উপজেলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে বড় পরিসরে গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনের সার্বিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। তাকে সহযোগিতা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া বলেন, “বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। দলের মহাসচিব আসছেন, অথচ জেলা বিএনপিকে কিছুই জানানো হয়নি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি গণসমাবেশে যোগ না দেওয়ার। পুরো আয়োজন সম্পর্কে জেলা বিএনপির কোনো ধারণা নেই। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পদ্মা নদীর পানির দাবি নিয়ে জনগণকে ব্ল্যাকমেইল করছেন দলের মনোনীত তিন প্রার্থী। এ বিষয়ে আমরা শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করব।”কাশ্মীরে বিস্ফোরণে নিহত ০৯
অনলাইন ডেস্ক:
ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম পুলিশ স্টেশনে জব্দ করে রাখা বিস্ফোরকের স্তূপে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে নয়জন নিহত এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন।
নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলের কর্মকর্তা, যারা বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তাও বিস্ফোরণে মারা যান।
সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে আনা বিস্ফোরক পদার্থ পরিচালনা করার সময় শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণটি ঘটে। খবর-এনডিটিভি।
বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় নদীতে পড়ে দূর্বৃত্তের মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধে সড়কের পাশে রাখা একটি বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় তুরাগ নদে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরেকজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা বলে জানিয়েছেন শাহ আলী থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম আযম।
ওসি বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বেড়িবাঁধের তামান্না পার্কের সামনে রাখা কিরণমালা পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আগুন দিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়দের ধাওয়ায় তুরাগ নদে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারেনি শাহ আলী থানা পুলিশ।
থানার এসআই আনোয়ার বলেন, বাসে আগুন লাগিয়ে পালানোর সময় জনগণের ধাওয়ায় একজন তুরাগ নদীতে পড়ে যান। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই সময় স্থানীয়দের হাতে রুদ্র মুহাম্মদ (২০) নামে আরেকজন আটক হয়। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুইজন দুর্বৃত্ত পার্কিং করা ঢাকা মেট্রো ব-১৩-১২৬২ নম্বর বাসে আগুন লাগিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ধাওয়া দিয়ে একজনকে আটক করে এবং অপরজন পালাতে গিয়ে তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে তাকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। রামপুরায় দিনভর প্রাইভেট শিবিরের তৎপরতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর রামপুরা, আফতাবনগর ও সংলগ্ন এলাকায় ১৩ তারিখ, বৃহস্পতিবার দিনভর সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রশিবির প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পূর্ব শাখা। সকাল থেকেই সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
শিবিরের ক্যাম্পাসভিত্তিক কয়েকজন কর্মী জানান, আমরা ভোর থেকেই এলাকায় অবস্থান নিচ্ছি। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিবির নেতা বলেন, “জঙ্গিবাদী সংগঠন লীগকে রুখে দিতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। দেশকে স্থিতিশীল রাখতে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিবির কর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রামপুরা, আফতাবনগর ও প্রধান সড়কগুলোতে শিবিরের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কোথাও কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। এখন পর্যন্ত কোনো অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি।” রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর মাঠে সক্রিয়তা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে।ছাত্রশিবির,প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পশ্চিমের আয়োজনে রোবটিক্স ফেস্ট অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
