পিলখানা ট্র্যাজেডি: সতেরো বছর ধরে বয়ে চলা এক রাষ্ট্রীয় ক্ষত 

  ক্যাম্পাস মিরর ডেস্ক ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি—ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বর হত্যাযজ্ঞ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়গুলোর একটি। ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন মানুষ নির্মমভাবে নিহত হন। বিদ্রোহের নামে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পর ১৭ বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো কেন এই হত্যাকাণ্ড কি কেবল একটি ‘বিদ্রোহ’, নাকি একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? এই প্রশ্নের জবাব সঠিকভাবে তুলে ধরেনি তা ভাবার বিষয়। এখন আমাদের সামনে দেখার পালা, আগামী দিনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসবে তারা সঠিক তদন্ত ও বিচার করে এর সত্যতা কতটুকু উন্মোচন করে। তবে আশার আলো হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তদন্ত কমিশন যে প্রতিবেদন দিয়েছে সেটি সামনের দিনে সত্যকে উন্মোচিত করতে কাজ দিবে। তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে তৎকালীন সময়ে ঘটনার সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের নাম উঠে এসেছে। নির্দেশদাতা, গোপন সংশ্লিষ্টতা, পরিকল্পনা  সহ নানান অভিযোগে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ১৭ জন রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন: শেখ হাসিনা(পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সভাপতি),ফজলে নূর তাপস,শেখ সেলিম,জাহাঙ্গীর কবির নানক,মির্জা আজম,কামরুল ইসলাম,সাহারা খাতুন,ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল,মাহবুব আরা গিনি,আসাদুজ্জামান নূর,তানজীম আহমদ সোহেল তাজ,মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক,শাহীন সিদ্দিক,কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান,মেহের আফরোজ চুমকি,লেদার লিটন,মেজর (অব.), খন্দকার আব্দুল হাফিজ। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতা তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয় এবং কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তির উপস্থিতির কথাও উঠে আসে। বিদ্রোহের সময় পিলখানায় হিন্দি ও ভিন্ন ভাষায় কথোপকথন শোনার দাবি করেছেন একাধিক সাক্ষী। পাশাপাশি, ওই সময়ে শতাধিক ভারতীয় পাসপোর্টধারীর আগমন–বহির্গমন সংক্রান্ত অসংগতি পাওয়া গেছে। এসব তথ্যকে ভারতের সম্পৃক্ততার সম্ভাব্য প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টি আরও গভীর তদন্তের সুপারিশ করেছে কমিশন।   সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ৩০ কর্মকর্তার নাম কমিশন সূত্র বলেছে, তদন্তে সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ৩০ জনের বেশি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বহীনতা, অবহেলা ও সন্দেহজনক আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ, নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল জহির উদ্দীন আহম্মেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল এস এম জিয়াউর রহমানসহ ১২ জন সাবেক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন লে. জেনারেল (অব.) সিনা ইবনে জামালী, জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, লে. জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলাম, লে. জেনারেল (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল হাকিম আজিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. শামসুল আলম চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইমামুল হুদা, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহমুদ হোসেন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহবুব সারোয়ার। কমিশনের তদন্ত সূত্র বলছে, তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের সিদ্ধান্ত এবং আচরণ হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ দেয়। বিডিআরের ডিজি শাকিল পিলখানার ভয়াবহ পরিস্থিতি জানানোর পরও তিনি সেনা পাঠানোর স্পষ্ট নির্দেশ দেননি এবং যুক্তি দেন, অভিযান চালালে ভারতীয় বাহিনী দেশে প্রবেশ করতে পারে। জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ সামরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে যান। এর বাইরে ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) মোল্লা ফজলে আকবর, লে. জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ, মেজর জেনারেল (অব.) ইমরুল কায়েস ও মেজর জেনারেল (অব.) সুলতানুজ্জামান সালেহ উদ্দীন; এনএসআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মুনিরুল ইসলাম ও মেজর জেনারেল (অব.) টি এম জোবায়ের, র‍্যাবের চার কর্মকর্তা, বিডিআরের তিন কর্মকর্তা এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। র‍্যাবের সাবেক ওই কর্মকর্তারা হলেন তৎকালীন ডিজি হাসান মাহমুদ খন্দকার, মেজর জেনারেল (অব.) রেজানুর রহমান খান, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আজিম আহমেদ (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ডাইরেক্টর ইন্টেলিজেন্স)। কমিশন বলেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকেও তাঁরা র‍্যাবকে নিষ্ক্রিয় রেখেছেন। বিডিআরের অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা হলেন কর্নেল (অব.) সাইদুল কবির, লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ এবং মেজর (অব.) গোলাম মাহবুবুল আলম চৌধুরী। দায়িত্বে অবহেলা, সত্য গোপন করা এবং অপরাধীদের পালানোর সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠা পুলিশের কর্মকর্তারা হলেন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার নাঈম আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) ও বর্তমান আইজিপি বাহারুল আলম, সাবেক অতিরিক্ত আইজি মনিরুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল কাহার আকন্দ ও তাঁর তদন্ত দল। তৎকালীন আইজিপির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শুধু নিজের মেয়ে ও কিছু পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করায় দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।   মিডিয়া ও রাষ্ট্রীয় নীরবতা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সময় কিছু সংবাদমাধ্যম যাচাই ছাড়াই উত্তেজনাকর তথ্য প্রচার করে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলে। পাশাপাশি, রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করে এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক নীরবতা বজায় রাখে, যা সত্য উদ্ঘাটনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পিলখানা ট্র্যাজেডির সত্য উন্মোচিত না হওয়া রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার ব্যর্থতাকেই প্রমাণ করে। সেই সাথে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম কি শুধু এটাকে নিছক ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখবে নাকি এর আসল কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তা দেখবে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? আর অপেক্ষার প্রহর কখন শেষ হবে তার হিসাব গুনতে থাকবে!  

রাজনীতি নিষিদ্ধ সত্ত্বেও অধ্যক্ষের ছাত্রদলের কর্মসূচি উদ্বোধন, শিবিরের ইফতারে নিষেধাজ্ঞা।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি

tdc - 2026-02-24T214246-296
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব উদ্দিন রাকিবের নেতৃত্বে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কর্মসূচি

পবিত্র রমজান উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করার পর ইসলামী ছাত্রশিবির–এর কার্যক্রম ঘিরে রাজনৈতিক সভা–সেমিনারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রশাসন। কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদের দপ্তর থেকে জারি করা জরুরি নোটিশে একাডেমিক কার্যক্রম ছাড়া সব ধরনের রাজনৈতিক ও পেশাজীবী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইফতার ঘোষণার পরই জরুরি নোটিশ

426af934-0172-4ef1-b0c5-287b7e84daca
ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি শুরুর আগের দিন হঠাৎ এই নোটিশ দিয়েছেন অধ্যক্ষ

ছাত্রশিবির সূত্রে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঢামেক ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৪ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ছাত্রীদের জন্য ইফতার ও মেহেদি উৎসব এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের জন্য ইফতার মাহফিল আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল।

তবে আলোকসজ্জার প্রস্তুতি শুরু হলে কলেজ প্রশাসন তা বন্ধ করে দেয়। এর আগের দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষের দপ্তর থেকে দেওয়া এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, কলেজের ভবন ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক, পেশাজীবী বা বহিরাগত সংগঠনের সভা, সেমিনার বা আলোচনা আয়োজন করা যাবে না।

tdc - 2026-02-24T214225-969
নিজে ছাত্রদলের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বর্তমান অধ্যক্ষ

নোটিশে বলা হয়, এ নির্দেশনা কলেজের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য বাধ্যতামূলক।

আগেই ছিল ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ঢামেক ক্যাম্পাস, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাস ও ডা. আলীম চৌধুরী ছাত্রীবাসে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে বা গোপনে ছাত্ররাজনীতি করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

ছাত্রশিবিরের অভিযোগ: একপক্ষের জন্য সুযোগ, অন্যপক্ষের জন্য বাধা

ছাত্রশিবিরের ‘মেডিকেল জোন’ শাখার সেক্রেটারি ডা. জুলফিকার আলী অভিযোগ করেন, তাদের কর্মসূচি ঘোষণার পরপরই প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে, কিন্তু প্রশাসন সে বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তার ভাষ্য, “আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো কমিটি নেই এবং আমরা ক্যাম্পাসের বাইরে রাজনৈতিক কার্যক্রম করি। অথচ শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠনমূলক একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ–এর প্রভাবেই প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

d877de90-f431-48f4-8df6-00c257b19236
বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় উদযাপন অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ নিজে উপস্থিত ছিলেন, তার পাশে বসে আছেন হাসপাতাল পরিচালক ডা. আসাদুজ্জামান

অধ্যক্ষের বক্তব্য: প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা

অভিযোগের বিষয়ে ঢামেকের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে এবং এ নীতির বাইরে কোনো কার্যক্রম অনুমোদিত নয়।

তিনি বলেন, “কিছু শিক্ষার্থী মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছে। আমরা তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।”

ক্যাম্পাসে ছাত্রদল বা অন্য সংগঠনের দৃশ্যমান কার্যক্রমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রয়োজন।

721634f2-649a-42c3-aa3e-be56e500d421
কলেজ ক্যাম্পাসে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে ছাত্রদলের মিছিল

বিতর্কের কেন্দ্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা

ছাত্রশিবিরের অভিযোগ এবং প্রশাসনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ঢামেক ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম দৃশ্যমান, যা প্রশাসনের নীতির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

পুলিশি হামলার নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

0

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর পুলিশের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনাকে পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতির প্রতিধ্বনি বলে মন্তব্য করেছেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি পুরনো দমন-পীড়নের সংস্কৃতিরই প্রতিধ্বনি।”

ফেসবুক পোস্টে তিনি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কে একটি কঠিন অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই সময়ে কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তা রাজনৈতিক স্বার্থে কাজ করেছেন, যার ফলে জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং বাহিনীর নৈতিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, “গতকাল নিরীহ ছাত্র, সাংবাদিক ও শ্রমজীবী মানুষের ওপর অতিউৎসাহী পুলিশের হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, পুলিশের দায়িত্ব জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়া, দমন করা নয়। যারা পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করবে বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।

পুলিশ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পুলিশকে জনবান্ধব হতে হবে এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “আইনের শাসন মানে শক্তির প্রদর্শন নয়, ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। আমরা একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখতে চাই।”

শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ, দায়িত্বে এলেন সাদিক-ফরহাদ-জাহিদ

0

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির–এর ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অফিস সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আজিজুর রহমান আজাদ। মিডিয়া সম্পাদক হয়েছেন মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম এবং প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আমিরুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমকে। সাংস্কৃতিক সম্পাদক হয়েছেন হাফেজ আবু মুসা এবং প্রচার সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।

এ ছাড়া ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে রেজাউল করিম শাকিল, ছাত্রঅধিকার সম্পাদক হিসেবে মহিবুর রহমান মুহিব এবং সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–এ অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনে ভোটের মাধ্যমে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। পরে সংগঠনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেলের নাম ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল হয়েছেন সিবগাতুল্লাহ।

নতুন এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির মাধ্যমে সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

পাকিস্তান–ইংল্যান্ড: ব্রুকের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে, পাকিস্তান খাদের কিনারায়

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল ২ উইকেটের নাটকীয় জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের দেওয়া ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে শেষ ওভারে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড, যেখানে জয়ের নায়ক ছিলেন ব্যাটার হ্যারি ব্রুক

ম্যাচের শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। পাকিস্তানের বোলার সালমান মির্জার করা প্রথম বলেই চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন জফরা আর্চার

এর আগে ইংল্যান্ডের জয়ের ভিত গড়ে দেন ব্রুক। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেটে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন তিনি। মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ইংলিশ ব্যাটার, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৪টি ছক্কা। তিনি প্রথম ৫০ রান করেন ২৮ বলে এবং পরের ফিফটি আসে মাত্র ২২ বলে। ব্রুক আউট হওয়ার সময় ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৮ বলে ১০ রান।

ব্রুক সেঞ্চুরি করার পরের বলেই পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি তাকে বোল্ড করেন। এরপর দ্রুত দুটি উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা চাপ তৈরি করেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। তবে শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড।

এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং করা পাকিস্তান ক্রিকেট দল নির্ধারিত ওভারে ১৬৪ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে ফারহান একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিফটি করেন, যা পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতামূলক স্কোর এনে দেয়।

এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে এই পরাজয়ে পাকিস্তান এখনো টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে না পড়লেও তাদের সেমিফাইনালের সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পাকিস্তান: ১৬৪/৯ ( ফারহান ৬৩, ফখর ২৫; ডসন ৩/২৪, আর্চার ২/৩২)। ইংল্যান্ড: ১৯.১ ওভারে ১৬৬/৮ (ব্রুক ১০০, জ্যাকস ২৮; আফ্রিদি ৪/৩০, উসমান ২/৩১)। ফল: ইংল্যান্ড ২ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা: হ্যারি ব্রুক

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

0

ক্যাম্পাস মিরর রিপোর্ট

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে অধিকতর বোধগম্য হয়ে উঠেছে।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানা-এ তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। দিবসটি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলেন।”

তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বসহকারে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে “শহীদ সেনা দিবস” হিসেবে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে তিনি শহীদদের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তিনি দাবি করেন, “এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল- নাগরিক হিসেবে বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।” তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর নানা ধরনের মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে যাতে আর কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

“দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব-এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়,”-বলেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় জীবনে গভীর শোক ও বেদনার দিন হিসেবে ২৫ ফেব্রুয়ারি আবারও স্মরণ করিয়ে দিল পিলখানার সেই রক্তাক্ত অধ্যায়, যা বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

পদত্যাগ করেননি ঢাবি ভিসি,কিছু গণমাধ্যমে তথ্য বিভ্রান্তি

পদত্যাগ করেননি ঢাবি উপাচার্য, কিছু গণমাধ্যমে ভুলভাবে ব্যাখ্যা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা বা প্রশাসনিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করার পক্ষে তিনি নন। এ কারণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল চাইলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে তিনি রাজি আছেন।
আজ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার বেলা তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এ দিকে তার এই বক্তব্য বেশ কিছু গণমাধ্যমে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন বলে এসব গণমাধ্যমে বলা হয়েছে। যা তার বক্তব্যের সঙ্গে মিল নেই।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, নির্বাচনের পর আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শূন্যতা তৈরি হতে পারে, এমনটা হয়ে থাকলে সরকার চাইলে আরও কিছু সময় দায়িত্ব পালন করব।

ওয়াইপিজের উদ্যোগে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোর্ট ভিজিট সম্পন্ন

ওয়াইপিজের উদ্যোগে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোর্ট ভিজিট সম্পন্নমানবাধিকার সংগঠন ইউথ ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (YPJ) এর উদ্যোগে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সফলভাবে আয়োজন করা হয় কোর্ট ভিজিট ২০২৬। এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সরাসরি আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়, যা তাদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এবারের কোর্ট ভিজিট পর্বে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে।

উক্ত আয়োজনে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করায় ওয়াইপিজের নির্বাহী পরিষদ মনিরুজ্জামান স্যার, অতিরিক্ত দায়রা জজ, ঢাকা; মাহফুজুর রহমান স্যার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা; অ্যাডভোকেট মোজাহিদুল ইসলাম (এপিপি)- প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

UIU Hosts Grand Finale of “Presentation Champs – Season II” UIU Team Crowned Champion

The Grand Finale of “Presentation Champs – Season II”—organized by the UIU English Language Forum—was successfully held, bringing together brilliant young presenters from across the country. This year’s competition saw participation from 18 different universities, making it one of the most diverse and competitive editions to date. After a series of rigorous screening rounds, the Top 8 finalists emerged from UIU, NSU, EWU, ULAB, and AIUB, showcasing exceptional presentation, analytical, and communication skills. In a thrilling finale, “The Team Without a Name” from UIU was crowned the Champion, securing the BDT 25,000 prize for their remarkable performance. First Runner-Up went to “Team Red Marked” from East West University (EWU), who delivered a highly structured and compelling presentation, earning the BDT 15,000 prize. Second Runner-Up was awarded to “Ki Dewa Jiee” from North South University (NSU), whose impactful content and confident delivery secured them the BDT 10,000 prize. Organizers noted that the event not only highlighted top-tier presentation talent but also strengthened collaboration among universities. The success of “Presentation Champs – Season II” reflects the growing emphasis on communication excellence among Bangladesh’s youth. The event concluded with praise from participants, judges, and attendees, marking another milestone for the UIU English Language Forum in fostering leadership and academic brilliance

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে “Paper Revival Initiative: From Waste to Wellness” শীর্ষক পেপার রিসাইক্লিং বক্স উদ্বোধন।

উত্তরা ইউনিভার্সিটির Environment & SDG Club-এর উদ্যোগে আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে “Paper Revival Initiative: From Waste to Wellness” লক্ষ্যকে সামনে রেখে পেপার রিসাইক্লিং বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ, কাগজের অপচয় কমানো এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির সম্মানিত উপাচার্য ড. ইয়াসমিন আরা লেখা এবং নওগাঁ ইউনিভার্সিটির সম্মানিত উপাচার্য ড. মোহা. হাছানাত আলী। সম্মানিত অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ এবং এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপদেষ্টা, রেজিস্ট্রার, এক্সাম কন্ট্রোলার, অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স-এর ডিরেক্টরসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির সকল কেন্দ্রীয় ক্লাবের সম্মানিত উপদেষ্টা ও সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। এছাড়াও উক্ত ক্লাবের সভাপতি তার বক্তব্যে জানান, “প্রতিটি অপচয় হওয়া কাগজের সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে একটি গাছ, নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং বাড়ছে পরিবেশের ওপর চাপ। আর এই ভারসাম্য রক্ষায় ও চাপ নিরসনে আমাদের এখনই এগিয়ে আসতে হবে।”
Environment & SDG Club-এর এই উদ্যোগ জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs), বিশেষত দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন এবং জলবায়ু কার্যক্রম বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। ভবিষ্যতেও ক্যাম্পাসজুড়ে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।