বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশে চালু হলো অনলাইন টিকেটিং
ঢাকায় রাশিয়ান হাউস ও রুডন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন
রাবিতে গাঁজা সেবনের সময় সাত শিক্ষার্থী আটক
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গাঁজা সেবনের সময় সাত শিক্ষার্থীকে আটক করেছে প্রক্টরিয়াল বডি। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামিম। তিনি সোহরাওয়ার্দী হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।
প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, আটক অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের নাহিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের নাঈম, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের সাবিত, এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের সাব্বির ও ইমরান।
সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি কাউছার হাবীব বলেন, “আমরা হলে নিয়মিতভাবে নজর রাখি, যাতে কেউ গাঁজা বা মাদকের মতো জঘন্য কাজে জড়াতে না পারে। গতকাল হল প্রশাসন থেকে মাদকবিরোধী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর আমরা পরিদর্শনে যাই। সেখানে হঠাৎ কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন আমরা তাদের ধরে সহকারী প্রক্টরকে খবর দিই। পরে প্রভোস্ট স্যার ও প্রক্টরিয়াল বডি এসে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, “সোহরাওয়ার্দী হলের ভিপিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী গাঁজা সেবনরত অবস্থায় ধরা পড়ে। পরে প্রভোস্ট কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। এরপর আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের প্রক্টর অফিসে আনা হয়।”
তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটা গুরুতর অপরাধ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”
জবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চার শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃতদের মধ্যে তিনজন মার্কেটিং বিভাগের এবং একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে চারজন শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আজকের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মর্যাদার সঙ্গে অসঙ্গত ও শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।”
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. সাদি হাসান, একই শিক্ষাবর্ষের মার্কেটিং বিভাগের আব্দুল্লাহ আল নোমান ও সামিউদ্দিন সাজিদ, এবং ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের একই বিভাগের জাহিদুর রহমান জনি।
ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয় কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর ড. মোহাম্মদ আলী এবং ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক নাছির আহমাদ।
কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপ;কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত গ্রুপ ও সুমন সরদার গ্রুপ এর মধ্যে তিন দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে শিক্ষকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১০ নভেম্বর) আস-সুন্নাহ পরিবহনের একটি বাসে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদীর মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন দুপুরে দ্বিতীয় গেটের সামনে এ ঘটনার জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে শান্ত চত্বর ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে সমঝোতা বৈঠকের সময় আরও দুই দফায় সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় সহকারী প্রক্টর ড. মো. নঈম আক্তার সিদ্দিকী, ফেরদৌস হোসেন ও মাহাদী হাসান জুয়েলসহ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। আহতদের মধ্যে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।
সূত্রে আরও জানা যায়, আহত সামিউদ্দিন সাজিদ ও আহ্বায়ক সদস্য জাহিদুর রহমান জনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত গ্রুপের অনুসারী। অপরদিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদী, আহ্বায়ক সদস্য মাশফিক রাইন, আতাউল্লাহ আহাদ ও বাংলা বিভাগের আশরাফুল ইসলাম সুমন সরদার গ্রুপের অনুসারী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কমনরুম, মসজিদ ও লাইব্রেরিতে কার্পেট দিল ডাকসু
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমনরুম, মসজিদ ও লাইব্রেরিতে নতুন কার্পেট দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে এসব স্থানে কার্পেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, কমনরুমের নামাজঘর, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)–এর নামাজের স্থান, মসজিদ ও লাইব্রেরির প্রয়োজনীয় জায়গাগুলোতে নতুন কার্পেট প্রদান করা হয়েছে। ডাকসুর নেতারা জানান, এসব স্থানে আগের কিছু কার্পেট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায় ও বসার ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছিল। শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন কার্পেট দেওয়া হয়েছে।
কার্পেট বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস. এম. ফরহাদ। এছাড়া কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে ছালমা, বিজ্ঞান সম্পাদক ইকবাল হায়দার ও কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি আজিজুল হক ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইমাম।
তানজীমুল উম্মাহ বিজ্ঞান উৎসব ‘২৫-এ উত্তরার শিক্ষার্থীদের দারুণ সাফল্য
নিজস্ব প্রতিবেদক:
তানজীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিজ্ঞান উৎসব ‘২৫-এ বরাবরের মতোই সাফল্য দেখিয়েছে তানজীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসা, উত্তরা শাখা। এবারের উৎসবে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় ১৪টি প্রজেক্ট নিয়ে, এবং আশাব্যঞ্জকভাবে সবকটিই পুরস্কার অর্জন করে।

পাঁচটি গ্রুপে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তারা অর্জন করে ২টি প্রথম স্থান, ২টি দ্বিতীয় স্থান, ২টি তৃতীয় স্থান, ২টি চতুর্থ স্থান, ৩টি পঞ্চম স্থান এবং ৩টি বিশেষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার।
তানজীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসা, উত্তরার প্রিন্সিপাল মাওলানা এইচ. এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে নিয়মিত নানা কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি। আগামী দিনে মুসলিম বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক হতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই তরুণদের মধ্য থেকেই উঠে আসবে আগামী দিনের ইবনে সিনা, জাবির ইবনে হাইয়ান, আল হাইসাম কিংবা সালাউদ্দিন আইয়ুবী।”
এর আগে তানজীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসা, উত্তরা; বিসিএসআইআর জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে (২০০৭ ও ২০১২) চ্যাম্পিয়ন, ঢাকা কলেজ ও নটরডেম কলেজ বিজ্ঞান মেলা, রাজউক কলেজ বিজ্ঞান মেলা এবং বিএএফ শাহীন কলেজ বিজ্ঞান মেলা ২০২৩-এও একাধিকবার সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। সর্বশেষ ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫-এ বিশেষ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রতিষ্ঠানটি দুবাই সায়েন্স ফেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

বিজ্ঞান উৎসব ‘২৫-এ তানজীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আওতাধীন উত্তরা, আশুলিয়া (স্থায়ী ক্যাম্পাস), ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, যশোর, খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে মোট ৪০টি প্রজেক্ট অংশ নেয়। মেকানিক্যাল, নন-মেকানিক্যাল ও আইওটি এই তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ। তিনি বলেন, “মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এখন দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখাচ্ছে, আজকের এই আয়োজন তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
বিজ্ঞান উৎসবের সভাপতিত্ব করেন তানজীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তানজীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিজ্ঞান উৎসব’২৫ অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকার উত্তরায় তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে(১০ নভেম্বর, সোমবার) আন্তঃ শাখা বিজ্ঞান উৎসব ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরার হোয়াইট হলে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত উক্ত বিজ্ঞান উৎসবে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল ।
বিজ্ঞান উৎসব’২৫ এ তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন নিয়ন্ত্রিত তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসা মেইন ক্যাম্পাস, উত্তরা ও স্থায়ী ক্যাম্পাস আশুলিয়া, ফেনী,নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, যশোর, খুলনা সহ দশটি শাখার মোট চল্লিশটি প্রজেক্ট সাইন্স ফেস্টে অংশগ্রহণ করে। মেকানিক্যাল, নন মেকানিক্যাল ও আইওটি তিনটি প্রজেক্টে বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অধিবেশনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ড.মীম আতিকুল্লাহ
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন, তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ।তিনি বলেন, ”মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এখন দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেও ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখাচ্ছে তার অনন্য স্মারক আজকের এই অনুষ্ঠান।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. রিফাত আব্দুল্লাহ, সাইন্স সেক্রেটারি, বি আই সি এস। আরো উপস্থিত ছিলেন ১০ টি শাখা থেকে বিজ্ঞান উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রন্সিপাল ও বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অভিভাবকবৃন্দ। পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অধিবেশনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এইচ এম আবদুল্লাহ আল মামুন। ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর এম এম রবিউল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় এবং ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো আয়োজন। প্রথম অধিবেশনে সঞ্চালনা করেন মূল ক্যাম্পাসের ভাইস প্রিন্সিপাল এরশাদুল্লাহ আজহারী ও সমাপনী অধিবেশনে সঞ্চালনা করেন স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রিন্সিপাল মাশহুদুল আলম।উল্লেখ্য তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসা উত্তরা, BCSIR জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০০৭ ও ২০১২ সালে চ্যাম্পিয়ন, ঢাকা কলেজ বিজ্ঞান মেলা, ঢাকা রেসিডেনশিয়াল কলেজ ৫ম জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব ২০২৩, রাজউক কলেজ বিজ্ঞান মেলা, বিএএফ শাহীন বিজ্ঞান মেলা ২০২৩, নটরডেম কলেজ বিজ্ঞান মেলা ২০১২তে একাধিকবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৫ এ বিশেষ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দুবাই সাইন্স ফেস্টে অংশগ্রহণ করে।
অমর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারিতেই
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০২৬ সালের অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হবে। রোববার বিকেলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস)-এর নেতাদের মধ্যে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে সম্ভাব্য বিভিন্ন সময় নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয় এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার পরামর্শও পর্যালোচনা করা হয়। এই আলোচনার ভিত্তিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপর ফেব্রুয়ারি মাসে মেলা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত মনে করা হয়।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক প্রথম আলোকে বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হলে বইমেলার তারিখ ঘোষণা করা হবে। বাংলা একাডেমি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে।”

এর আগে ২০২৬ সালের বইমেলা চলতি বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়োজনের সময় ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়, নির্বাচনের কারণে মেলা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আয়োজন করা হোক। সেই অনুযায়ী ডিসেম্বরে মেলা স্থগিত করা হয়।
লেখক, কবি, প্রকাশক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা মহান রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের স্মৃতিময় ফেব্রুয়ারি মাসেই মেলা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলেন। অতীতে করোনা মহামারির কারণে ২০২১ সালের মেলা মার্চে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২২ সালে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাসব্যাপী আয়োজন করা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এইচ এম এরশাদের সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের কারণে একবার মেলা বন্ধ হয়েছিল। – ডেস্ক রিপোর্ট।
শেফালি ও দীপ্তির অসাধারণ পারফর্মেন্সে মুম্বাইয়ে নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকা ২৪৬ রানে অলআউট হলে ভারত ৫২ রানের ব্যবধানে জয়ী হয়। ভারত অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ৪৬তম ওভারের তৃতীয় বলেই নাদিন ডি ক্লার্কের ক্যাচ নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।![]()
ফাইনালের জয়ের উৎসব শুরু হয় পাঁচ ওভার আগেই, যখন দীপতি শর্মা লরা ভলভার্টকে আউট করে ভারতের পথে অবরোধ খুলে দেন। ভলভার্ট অসাধারণ এক সেঞ্চুরি করলেও ক্যাচের খেলা শেষ পর্যন্ত ভারতের জয় নিশ্চিত করে। দীপ্তি শর্মা ৯৮ বলে ১০১ রান করে ফেরানো ভলভার্টসহ আরও ৫ উইকেট তুলে নেন। ব্যাট হাতে দীপ্তি ৫৮ বলে ৫৮ রান করেন। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

কিন্তু ফাইনালের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন শেফালি বর্মা। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে স্মৃতি মান্ধানের সঙ্গে ১০৪ রানের জুটি গড়ে ভারতকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেন। নিজের ৩১ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন শেফালি; ৭৮ বলে ৮৭ রান। শুধু ব্যাটিং নয়, বল হাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। খণ্ডকালীন স্পিনার হিসেবে ৩৬ রানে ২ উইকেট নেন, যার মধ্যে রয়েছে সুনে লুস ও মারিজান কাপের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
ফাইনালের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারত মেয়েদের বিশ্বকাপে ইতিহাস রচনা করল। ভারতের জয় নিশ্চিত করতে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে সমানভাবে অবদান রেখেছেন দীপ্তি শর্মা এবং শেফালি বর্মা। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাবও জিতেছেন দীপ্তি। ২১৫ রান ও ২২ উইকেটের সঙ্গে ভারত পুরো বিশ্বকাপকে দীপ্তিময় করেছে। -স্পোর্টস ডেস্ক।
