ববি হাজ্জাজের আসন সহ পাঁচ আসনের ব্যালট হেফাজতের নির্দেশ

  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ওই আসনের অন্যান্য প্রার্থীদের নোটিশ জারি করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। অন্য আসনগুলো হলো:গাইবান্ধা-৫, ঢাকা-৫, পাবনা-৩ এবং কুষ্টিয়া-৪। এর আগে ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন জামায়াত জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছিলেন। এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে এরই মধ্যে ২৫টির বেশি আসনের প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনি সামগ্রী সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি করছেন।

দূর্নীতির মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ইতোপূর্বে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা থেকে জামিন লাভ করেন। তাই তার মুক্তিতে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে আনিস আলমগীর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই জামিন পেলেন। সে ক্ষেত্রে আনিস আলমগীরের কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী তাসলিমা জাহান। গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করে। মামলায় আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। আজ তিনি এই মামলায় জামিন পেলেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি জিম সেন্টার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত।  

দাম বেড়েছে স্বর্ণের

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বাড়িয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  

আজ ঐতিহাসিক মক্কা বিজয় দিবস

0

পবিত্র মাহে রমজানের ২০তম দিন আজ। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এদিন সংঘটিত হয়েছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক মক্কা বিজয়।

হিজরতের অষ্টম বছরে প্রায় ১০ হাজার মুসলিমের একটি বাহিনী নিয়ে মহানবী (সা.) মক্কা নগরীতে প্রবেশ করেন। দীর্ঘদিনের নির্যাতন, বিরোধিতা ও নানা সংঘাতের পর সংঘটিত এই বিজয় ছিল প্রায় রক্তপাতহীন।

নবুওয়াত লাভের পর থেকেই মক্কার কুরাইশরা ইসলামের বিরোধিতা শুরু করে এবং মুসলমানদের ওপর নানা নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে মহানবী (সা.) ও তাঁর অনুসারীরা মদিনায় হিজরত করতে বাধ্য হন। মদিনা থেকেই ইসলামের বিস্তার দ্রুত ঘটতে থাকে এবং মুসলমানরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেন।

ঐতিহাসিক মক্কা বিজয় দিবস। ©সংগৃহীত

মক্কা বিজয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধি ভঙ্গের ঘটনা। কুরাইশরা চুক্তি লঙ্ঘন করলে মহানবী (সা.) অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। অষ্টম হিজরির রমজান মাসে পরিচালিত সেই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ২০ রমজান মক্কা বিজয় সম্পন্ন হয়।

মক্কায় প্রবেশের পর মহানবী (সা.) সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন, যা মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়। তিনি কাবা শরিফে স্থাপিত ৩৬০টি মূর্তি অপসারণ করেন এবং সেখানে একত্ববাদের বার্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।

ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয় শুধু সামরিক সাফল্য নয়, বরং শান্তি, ক্ষমা ও ন্যায়বিচারের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে আছে।

বদর: ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

0
    আজ ১৭ রমজান, ঐতিহাসিক বদর দিবস। দ্বিতীয় হিজরির এই দিনে ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের মদিনা মুনাওয়ারা থেকে ৮০ মাইল দক্ষিণে বদর নামক স্থানে সংঘটিত হয়েছিল ইসলামের প্রথম যুদ্ধ ‘বদর’। ইসলামের ইতিহাসে এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এ যুদ্ধ। মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে মক্কার মুশরিকদের প্রথম বড় যুদ্ধ এটি। ‘বদর যুদ্ধ’ ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ যুদ্ধের বিজয়ই মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়। আল্লাহ সুবহানহু ওয়া তাআলার বিশেষ সাহায্যে দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমজান মদিনা থেকে ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণকারী এ যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। আর তাতে ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয় অর্জিত হয়। এটি ইসলামের ইতিহাসে বদরযুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। এ যুদ্ধে মানুষের সব ধারণা নাকচ করে দিয়ে প্রায় উপকরণহীন মুষ্টিমেয় দলটিকে জয়ী করেন মহান রাব্বুল আলামিন। সত্য-মিথ্যার চিরন্তন দ্বন্দ্বের ইতিহাসে সংযোজিত হয় নতুন অধ্যায়। তাই শুধু ইসলামের ইতিহাসে নয়, বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এ দিনটি অনন্য অবস্থান দখল করে রেখেছে। ইসলামের ইতিহাসে বদর যুদ্ধের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সীমাহীন। ১৭ রমজানের এ প্রেক্ষাপট ইসলামে বিশেষভাবে সংরক্ষিত। এ দিন ৩১৩ জন সাহাবিকে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ের আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত মক্কার কাফের-মুশরিকদের সঙ্গে বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল রক্তক্ষয়ী বদর যুদ্ধ। মুসলমানদের মহান আল্লাহ সুবহানহু ওয়া তাআলার এ যুদ্ধে ফেরেশতাদের মাধ্যমে বিশেষভাবে সাহায্য করে ঐতিহাসিক বিজয় দান করেছিলেন। তাওহিদ তথা একত্ববাদের বার্তাবাহক মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ইসলাম এবং মুসলমানদের জন্য এটি ছিল প্রথম বড় সামরিক যুদ্ধ। এই যুদ্ধের আগে মুসলমান ও মুশরিকদে মধ্যে বেশ কয়েকটি খণ্ডযুদ্ধ হলেও বদরের যুদ্ধ ছিল দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় যুদ্ধ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী বিজয় লাভ করে। ফলে ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও মদিনা রাষ্ট্রে ভিত্তি তৈরিতে এ যুদ্ধে বিজয় বিশেষ ভূমিকা রাখে। মুসলিম বাহিনী প্রতিকূল পরিস্থিতি ও অবস্থানে থেকে  বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বদর যুদ্ধের সময় মুসলিম বাহিনী যে প্রান্তরের অবস্থান নিয়েছিলেন, সে স্থানটিতে সূর্যের তেজ সরাসারি তাদের মুখের ওপর পড়ে। আর কাফেরদের মুখে দিনের বেলায় সূর্যের আলো পড়ে না। আবার মুসলমানরা যেখানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করে, সেখানে বালুময় মাটি, যা যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য উপযুক্ত নয়। অপরদিকে কাফেররা যেখানে অবস্থান নিয়েছিল, সেখানে মাটি শক্ত এবং যুদ্ধের জন্য স্থানটি উপযুক্ত। এত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মহান আল্লাহ মুসলিম বাহিনীকে বিজয় দান করেন। এটি ইসলামের অনেক বড় বিজয়েরই নামান্তর। ইসলামের বিরুদ্ধে বিশাল সৈন্য বাহিনীর মোকাবিলায় ঈমানদারদের ছোট একটি দলের সম্মুখ সংগ্রাম ছিল এটি। ঐতিহাসিক এ যুদ্ধে অবিশ্বাসীদের নেতা আবু জেহেলের নেতৃত্বে ছিল এক হাজার প্রশিক্ষিত সৈন্যের সুসজ্জিত বাহিনী। এ যুদ্ধে মানুষের ধারণাপ্রসূত সব রকমের চিন্তা ও উপলব্ধির বাইরে গিয়ে আল্লাহ তাআলা অস্ত্রহীন ঈমানদারদের অতিক্ষুদ্র দলটিকে বিজয় দান করেন। সেদিন ইসলামে দীক্ষিত নব মুসলিমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছিল, জয়-পরাজয় আল্লাহর হাতে। আবার সম্মান অপমানও আল্লাহর হাতে। সেদিন বদরের প্রান্তরে ঈমান ও কুফর, ন্যায় ও অন্যায়ের এক অন্যরকম ইতিহাস রচিত হয়েছিল। যা যুগ যুগ পর্যন্ত এক আল্লাহতে বিশ্বাসী মুসলমানদের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বদর প্রান্তরে এক আল্লাহর প্রতি একান্ত আস্থা ও বিশ্বাস রেখেই মুসলিম বাহিনী যুদ্ধ করেছিলেন। শান্তি ও নিরাপত্তা বীজ বপন করেছিলেন। সংখ্যা, সরঞ্জাম ও সম্পদ কম থাকার পরও মহান আল্লাহ দান করেছিলেন এক সুস্পষ্ট বিজয়। ঐতিহাসিক তথ্য মতে, ১৬ রমজান মাগরিবের পর তারিখ পরিবর্তন হয়ে ১৭ রমজান শুরু হলো। সেই রাতে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবিরা বদর প্রান্তের তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। অপরদিকে কাফেররাও তাদের ক্যাম্পে অবস্থান করছিল। ১৭ রমজানের বিশেষ এই রাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ দোয়া করেছিলেন। ইসলামের বিজয়ে জন্য কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করেছিলেন এভাবে- ‘হে আল্লাহ! আগামীকালের (সত্য-মিথ্যার) নীতিনির্ধারণী যুদ্ধে তোমার সাহায্য আমাদের অতি প্রয়োজন। এ যুদ্ধে আমরা তোমার সাহায্য ছাড়া বিজয় লাভ করতে পারব না। আর আমরা যদি পরাজিত হই তাহলে তোমাকে সেজদা করার কিংবা তোমার নাম ধরে ডাকার লোক এ পৃথিবীতে আর নাও থাকতে পারে। অতপর তুমিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ কর, তুমি কী করবে। কারণ, তুমিই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মালিক। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে প্রাণপণ যুদ্ধ চালিয়ে যাবো। আমরা আমাদের জীবন তোমার পথে উৎসর্গ করলাম। বিনিময়ে তোমার দ্বীনকে আমরা তোমার জমিনে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তুমি আমাদেরকে বিজয় দান করো। আমরা তোমার কাছে সাহায্য চাই।’ (যুরকানি, সিরাতে ইবনে হিশাম) আল্লাহ তাআলা নব মুসলিম ও নতুন রাষ্ট্রে দান করলেন বিজয়। নিরস্ত্র মুসলিমরা অস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকে পরাজিত করলেন। এ যুদ্ধে কাফেরদের পক্ষে নিহত হলো ৭০ জন। বন্দি হয় আরও ৭০ জন। আর মুসলমানদের মধ্যে চৌদ্দজন সাহাবি শহীদ হন।
ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে মুসলিমদের জন্য ছিল অভাবনীয় বিজয়। মহান আল্লাহর একান্ত কুদরতের প্রমাণ। তিনি অল্প সংখ্যক লোক দিয়েও বিজয় দান করেন। তাতে সূচনা হয়েছিল ইসলাম বিজয়। তাই প্রতি বছর ১৭ রমজান বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ঐতিহাসিক ‘বদর দিবস’।
বদর দিবসে মহান আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে দান করুন মুসলমানদের বিজয়। সব নিয়ামত, মাগফেরাত ও নাজাতে ভরে ওঠুক রোজাদারের আমল ও মন। বদর যুদ্ধের বিজয় হয়ে থাকুক সব বিপদে মুমিন মুসলমানের অনুপ্রেরণা। আল্লাহ তাআলা বদর যুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী সাহাবাদের দান করুন জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা, সম্মান ও শান্তি। আমিন।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইফতার ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ইফতার ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (WUB)-এর ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং ‘ডব্লিউইউবি টিএইচএম ক্লাব’-এর যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬) এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিরপুর-১১ এর ‘রেভ বুফে অ্যান্ড রুফটপ’-এ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের এক স্বতঃস্ফূর্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থী জাগরী সত্যজনের নেতৃত্বাধীন একটি টিমের নিরলস প্রচেষ্টা এবং চমৎকার ব্যবস্থাপনায় পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের ১৫০-এর অধিক বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে আয়োজিত বিশেষ দোয়া মাহফিলে বিভাগের ৯ম ব্যাচের প্রয়াত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ইসলাম শোভনসহ সকলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাফেজ মাহমুদুল হাসান নয়ন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের ডিরেক্টর ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ নাসিমুল আজিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এ ধরনের আয়োজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হৃদ্যতা বৃদ্ধি করে এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের সাথে বিভাগের বন্ধন আরও দৃঢ় করে।” অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ও একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর মোঃ আবদুল লতিফ মাহমুদ। তিনি সফল আয়োজনের জন্য জাগরী সত্যজন ও তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানান এবং উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া প্রভাষক সারা মূর্তজা , মোঃ মোরসালিন ও দিলশাদ আরা রাকা সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশে ইফতার গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

‘জাতীয় পতাকা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন’— ঢাবি উপাচার্য

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, জাতীয় পতাকা কোনো সাধারণ কাপড় নয়; এটি একটি জাতির পরিচয়, ঐক্য ও জাগরণের প্রতীক। এর কোনো বিকল্প নেই—এটি আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। জাতীয় পতাকা আমাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সোমবার (২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন সংলগ্ন বটতলা প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক ‘পতাকা উত্তোলন দিবস’ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে উপাচার্য জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে সংগীত বিভাগ ও নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন। বক্তব্যে উপাচার্য জাতির ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও মাইলফলকের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ইতিহাসের এসব মাইলফলক একটি জাতির পরিচয় নির্ধারণ করে এবং আমাদের ঐক্য, চেতনা ও দায়িত্ববোধকে শাণিত করে। জাতির গৌরবময় অভিযাত্রায় অবদান রাখা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে এবং তাদের কাছে ঋণ স্বীকার করে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবসময় দেশ ও জনগণের পাশে থাকবে। বিভিন্ন সংকটময় সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন এবং ২ মার্চ কলাভবন প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার আন্দোলন সুসংগঠিত রূপ পায়। সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত ও সোনালি মানচিত্র সংবলিত সেই পতাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রত্যয়ের প্রতীক। তিনি বলেন, জাতীয় পতাকা কেবল সার্বভৌমত্বের প্রতীক নয়; এটি তারুণ্যের দেশপ্রেম, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারও বহন করে। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে সাহসিকতার সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার যে প্রত্যয় ঘোষিত হয়েছিল, তার চূড়ান্ত পরিণতি আসে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয়ের মাধ্যমে। তবে পতাকা দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; সার্বভৌম, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনাপর্বকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সবুজ রং সুজলা-সুফলা বাংলাদেশ ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বর্ণ শহীদদের রক্ত ও আত্মত্যাগের প্রতিফলন। জাতীয় পতাকা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস জোগায় এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ। স্বাগত বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন ও অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। এসময় প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট পরিচালক, অফিস প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

চবি শাখা ছাত্রদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় আজ সোমবার (২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে। জানা গেছে, ইফতারের নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর হাতে ইফতার পৌঁছায়নি। ফলে অনেক ছাত্রী ইফতার না নিয়েই হল ত্যাগ করেন। বিষয়টি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, “ছাত্রদলের আমন্ত্রণে আমরা এখানে এসেছিলাম। কিন্তু রোজা ভাঙার দুই মিনিট আগে পর্যন্ত পানিও পাইনি। ইফতারের দাওয়াত দিয়ে এমন অব্যবস্থাপনা সত্যিই হতাশাজনক। কতজন ছাত্রী অংশ নিতে পারেন, তা বিবেচনায় নিয়ে আয়োজন করা উচিত ছিল।” আরও অভিযোগ রয়েছে, ইফতার না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে বাইরে থেকে খাবার কিনে রোজা ভাঙেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিয়া ফারহানা নামে এক শিক্ষার্থী লেখেন, “৬টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত থেকেও ইফতার পাইনি। রোজাদাররা ইফতার ছাড়াই ফটোসেশন দেখেই ইফতার সম্পন্ন করেছে।” এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত প্রকাশ করেছেন। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, প্রত্যাশার তুলনায় অধিক উপস্থিতির কারণে কেউ ইফতার থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকলে তার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে আরও পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে প্রত্যাশার চেয়ে দ্বিগুণ সাড়া পাওয়া গেছে। প্রথমবারের আয়োজনে অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটির জন্য দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি ভবিষ্যতে আরও সুন্দর আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
নিজস্ব প্রতিবেদক। ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, যাতে এই জাতীয় কোনো ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে আর না দেখতে হয় ভবিষ্যতে, সেজন্য যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি সেই পদক্ষেপগুলো আমরা নেবো। আজ বুধবার সকালে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একটি স্বাধীন জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের রিপোর্ট আমাদের সামনে আসছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই রিপোর্ট বাস্তবায়নে তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমি কয়েকদিন আগেই এই রিপোর্টটা পুরো না দেখেই কিছু কথা বলেছি, যেগুলো আজ সংশোধন করতে চাই। আমরা নতুন করে আর কোনো তদন্ত কমিশন করবো না। যেহেতু জাতীয় একটা স্বাধীন তদন্ত কমিশন দক্ষ ও উপযুক্ত ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত হয়েছে , তাদের রিপোর্টে আমি এক নজরে যা দেখেছি তাতে যে সমস্ত সুপারিশমালা এসেছে তা প্রায় ৭০টি। তিনি আরও বলেন, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, কিছু আপিল পর্যন্ত, কিছু আপিলেড ডিভিশনে হয়তো আছে। জুডিশিয়াল প্রসেসটা সমাপ্ত করা হবে আর অন্যান্য যে রিকমেন্ডেশনস আছে এগুলো আমরা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবো। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি ছিল পিলখানার ঘটনা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আন্ডারমাইন্ড করা বা দুর্বল করা এটা একটা লক্ষ্য ছিল। সেটা তাদেরই থাকতে পারে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না অথবা একটা দুর্বল রাষ্ট্র হিসেবে এ দেশকে দেখতে চায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে যারাই জীবন দিয়েছেন তারা চিরস্মরণীয় ও চিরভাস্বর। পিলখানার নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল তা খুঁজে বের করার জন্য তৎকালীন সরকার কমিটি করেছিল। শেষ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। সুত্রঃ বাসস।

ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজে দাওয়াহ সোসাইটি ও মেডিসিন ক্লাবের আয়োজনে রমাদান গাইডলাইন এবং হাফেজে কুরআন রিসিপশন’২৬ অনুষ্ঠিত

দাওয়াহ সোসাইটি অব ইউএমসি ও মেডিসিন ক্লাব, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট আয়োজনে রমজানের গাইডলাইন ও হাফেজে কুরআন রিসেপশন ২০২৬ অনুষ্ঠিত এস. এম. এম. মুসাব্বির উদ্দিন,ইউএমসি প্রতিনিধি : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন ডাক্তারদের অংশগ্রহণে এক আধ্যাত্মিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দাওয়াহ সোসাইটি অব ইউএমসি ও মেডিসিন ক্লাব, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দাওয়াহ সোসাইটি অব ইউএমসি-এর সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ ডা. মাহমুদুল বাশার। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে রমজানের তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সময় ব্যবস্থাপনা এবং একজন মুসলিম চিকিৎসকের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। ইফতারের পূর্বমুহূর্তে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের পর ইউএমসি শিক্ষার্থীরা হামদ-নাত পরিবেশন করেন, যা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে হাফেজ ডা. মাহমুদুল বাশার এবং ইউএমসি-এর দুইজন হাফেজ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।