ববি হাজ্জাজের আসন সহ পাঁচ আসনের ব্যালট হেফাজতের নির্দেশ
দূর্নীতির মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর
ইতোপূর্বে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা থেকে জামিন লাভ করেন। তাই তার মুক্তিতে বাঁধা নেই বলে জানিয়েছে আদালত।আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে আনিস আলমগীর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই জামিন পেলেন। সে ক্ষেত্রে আনিস আলমগীরের কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী তাসলিমা জাহান। গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করে। মামলায় আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। আজ তিনি এই মামলায় জামিন পেলেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি জিম সেন্টার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ৫ মার্চ আনিস আলমগীরকে জামিন দেন উচ্চ আদালত।
দাম বেড়েছে স্বর্ণের
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ ঐতিহাসিক মক্কা বিজয় দিবস
পবিত্র মাহে রমজানের ২০তম দিন আজ। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এদিন সংঘটিত হয়েছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক মক্কা বিজয়।
হিজরতের অষ্টম বছরে প্রায় ১০ হাজার মুসলিমের একটি বাহিনী নিয়ে মহানবী (সা.) মক্কা নগরীতে প্রবেশ করেন। দীর্ঘদিনের নির্যাতন, বিরোধিতা ও নানা সংঘাতের পর সংঘটিত এই বিজয় ছিল প্রায় রক্তপাতহীন।
নবুওয়াত লাভের পর থেকেই মক্কার কুরাইশরা ইসলামের বিরোধিতা শুরু করে এবং মুসলমানদের ওপর নানা নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে মহানবী (সা.) ও তাঁর অনুসারীরা মদিনায় হিজরত করতে বাধ্য হন। মদিনা থেকেই ইসলামের বিস্তার দ্রুত ঘটতে থাকে এবং মুসলমানরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেন।

মক্কা বিজয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হুদায়বিয়ার সন্ধি ভঙ্গের ঘটনা। কুরাইশরা চুক্তি লঙ্ঘন করলে মহানবী (সা.) অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। অষ্টম হিজরির রমজান মাসে পরিচালিত সেই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ২০ রমজান মক্কা বিজয় সম্পন্ন হয়।
মক্কায় প্রবেশের পর মহানবী (সা.) সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন, যা মানবতার এক বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়। তিনি কাবা শরিফে স্থাপিত ৩৬০টি মূর্তি অপসারণ করেন এবং সেখানে একত্ববাদের বার্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
ইসলামের ইতিহাসে মক্কা বিজয় শুধু সামরিক সাফল্য নয়, বরং শান্তি, ক্ষমা ও ন্যায়বিচারের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বদর: ইসলামের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়
ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে মুসলিমদের জন্য ছিল অভাবনীয় বিজয়। মহান আল্লাহর একান্ত কুদরতের প্রমাণ। তিনি অল্প সংখ্যক লোক দিয়েও বিজয় দান করেন। তাতে সূচনা হয়েছিল ইসলাম বিজয়। তাই প্রতি বছর ১৭ রমজান বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ঐতিহাসিক ‘বদর দিবস’।বদর দিবসে মহান আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে দান করুন মুসলমানদের বিজয়। সব নিয়ামত, মাগফেরাত ও নাজাতে ভরে ওঠুক রোজাদারের আমল ও মন। বদর যুদ্ধের বিজয় হয়ে থাকুক সব বিপদে মুমিন মুসলমানের অনুপ্রেরণা। আল্লাহ তাআলা বদর যুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী সাহাবাদের দান করুন জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা, সম্মান ও শান্তি। আমিন।
