তৃতীয় বারের মতো জামায়াতের আমীর হিসেবে ডাঃ শফিকুর রহমানের শপথ গ্রহণ

ডেস্ক রিপোর্ট: দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তৃতীয়বারের মতো শপথ গ্রহণ করলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে নতুন কার্যকাল ২০২৬–২০২৮-এর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

আমিরকে শপথ বাক্য পাঠ করান জামায়াতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম।

এতে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দলটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন কার্যকাল শুরুর অংশ হিসেবে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

গত ২ নভেম্বর প্রকাশিত আরেক বিজ্ঞপ্তিতে ডা. শফিকুর রহমানের তৃতীয়বারের মতো আমির নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে তিনি ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রথমবার এবং ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর দ্বিতীয়বার আমির নির্বাচিত হন। দলের ইতিহাসে টানা তিন মেয়াদে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নেতাদের তালিকায় এর আগে ছিলেন কেবল অধ্যাপক গোলাম আযম ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের রুকনদের গোপন ব্যালটে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এতে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ২০২৬–২০২৮ কার্যকালের জন্য পুনরায় আমির নির্বাচিত হন ডা. শফিকুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান ১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৭৬ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমান এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

চিকিৎসা পেশায় যুক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় ছিলেন। শুরুতে জাসদ ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ১৯৭৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরে যোগ দেন এবং সিলেট মেডিকেল কলেজ শাখা ও সিলেট শহর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন শফিকুর রহমান এবং পরে সিলেট শহর, জেলা ও মহানগরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে তিনি দলের সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন।

আদর্শবান সাহিত্যিক হতে হলে সাহস লাগবে: কবি আব্দুল হাই শিকদার

0
  নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্যা ক্যাম্পাস মিররের উদ্যোগে লেখক, পাঠক ও প্রতিনিধি সম্মেলন’২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক, বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি, নজরুল গবেষক কবি আব্দুল হাই শিকদার। তিনি সম্মেলনে আগত তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদেরকে সাহিত্যিক হতে হলে বুকে বল রেখে সাহসিকতার নজির স্থাপন করতে হবে। ২৭ নভেম্বর(বৃহস্পতিবার) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি মিলনায়তনে লেখক, পাঠক ও প্রতিনিধি সম্মেলনে দ্যা ক্যাম্পাস মিররের সম্পাদক আ.ফ.ম মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে স্মার্ট নিউজ প্রেজেন্টেশনের উপর ওয়ার্কশপ সেশন পরিচালনা করেন চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন আস্থা বিল্ডার্সের পরিচালক মোঃ মামুনুর রশিদ, স্টার নিউজের এইচআর অফিসার জনাব আশরাফ, স্বাগত বক্তব্য রাখেন দ্যা ক্যাম্পাস মিররের সহকারী সম্পাদক এনামুজ্জামান রাফি, সাহিত্য আড্ডার আলোচক ছিলেন সাবেক সহকারী সম্পাদক সাদী মোহাম্মদ সাদ, সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন সহকারী সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মারুফ। আরও উপস্থিত ছিলেন দ্যা ক্যাম্পাস মিররের এডিটোরিয়াল টিমের সদস্য আসিফ, মোঃ নাইমুর রহমান, হোসাইন আহমেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কবি আব্দুল হাই শিকদার বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদের সময়ে অনেকে সরকারের করুণার পাত্র হয়ে একুশে পদক প্রাপ্ত হয়েছেন। আবেদন করে একুশে পদক গ্রহণের মতো নির্লজ্জ কাজ আর হতে পারে না। অনেকের অনুরোধ সত্ত্বেও আমি সাহসের সাথে প্রত্যাখান করেছি এমন কাজ। তোমাদেরকে সাহিত্যিক হতে হলে বুকে বল রেখে সাহসিকতার নজির স্থাপন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলা সাহিত্যের বিকাশ, ধারাবাহিকতা ও বিবর্তনকে আন্তর্জাতিক গবেষণা-মানের আলোকে বিশ্লেষণ করতে হবে। তিনি মধ্যযুগীয় সাহিত্য থেকে শুরু করে কাজী নজরুল ইসলাম, কবি ফররুখ আহমদ ও কবি আল মাহমুদের সাহিত্য প্রতিভাকে “সুস্থ ধারার সাহিত্য চর্চা’র” শক্ত ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। কবি আব্দুল হাই শিকদার তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে সাহিত্যচর্চায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। স্মার্ট নিউজ প্রেজেন্টেশন সেশনে চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মানদণ্ডের আলোকে ভাষা, বাচনভঙ্গি, উপস্থাপন দক্ষতা, স্ক্রিপ্ট রাইটিং ও লাইভ প্রেজেন্টেশন কৌশল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আস্থা বিল্ডার্সের পরিচালক মোঃ মামুনুর রশিদ তরুণ লেখকদের উৎসাহ প্রদান করে বলেন, লেখালেখির জগতে এগিয়ে আসতে হবে। সুস্থ ধারার সাহিত্য বির্নিমানে কাজ করতে হবে। স্টার নিউজের এইচআর অফিসার জনাব আশরাফ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং সুন্দর পেশাগত পরিবেশ তৈরি নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সভাপতির বক্তব্যে দ্যা ক্যাম্পাস মিররের সম্পাদক আ.ফ.ম. মশিউর রহমান বলেন, “সুস্থ ধারার সাহিত্যচর্চা আমাদের সংস্কৃতির ভিত্তি। জ্ঞান ও গবেষণাভিত্তিক এই চর্চাকে তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে দ্যা ক্যাম্পাস মিরর ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবে।” সাহিত্য আড্ডায় জনাব সাদী মোহাম্মদ সাদ বাংলা রেনেসাঁস পরবর্তী সাহিত্যধারায় কবি ফররুখ আহমদ এবং আল মাহমুদের সাহিত্য চিন্তা, ভাষার শক্তি, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভূমিকা নিয়ে গভীর আলোচনা করেন। তিনি দেখান কিভাবে জ্ঞাননির্ভর সাহিত্য সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

ঢাকা পলিটেকনিক সাংবাদিক ফোরামের মতবিনিময় সভা ও আইডি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠিত

জাওয়াদ শাহরিয়ার

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সাংবাদিক ফোরামের মতবিনিময় সভা ও ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার আইডি কার্ড প্রদান কর্মসূচি আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)–এর সভাকক্ষে। দুপুর ৩টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ইয়াসির আরাফাত ও মাহিন আহম্মেদ উদয় যৌথভাবে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইডিইবি–এর অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবির হোসেন। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা পলিটেকনিক সাংবাদিক ফোরামের সদস্য–সচিব মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সদস্য জাওয়াদ শাহরিয়ার, মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, তালহা আব্দুল্লাহসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী কবির হোসেন আদর্শ ক্যাম্পাস নির্মাণে দায়িত্বশীল ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা, এবং ছাত্রজীবন থেকেই সৎ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা ভবিষ্যতে সুস্থ মিডিয়া পরিবেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে তিনি অতীতে অসাধু ও অনৈতিক সাংবাদিকতার কারণে সৃষ্টি হওয়া নানা সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক তুলে ধরে বলেন, সৎ ও সচেতন সাংবাদিকতা শুধু শিক্ষার্থীদের সমস্যাই তুলে ধরে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি প্রধান অতিথি প্রকৌশলী কবির হোসেনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং আইডিইবি ও কারিগরি শিক্ষাখাতে ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য সদস্যরা ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার গুরুত্ব, শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, ছাত্রজীবনে অর্জিত সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা পেশাগত জীবনে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে।

মতবিনিময় সভা শেষে সদস্যদের হাতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার আইডি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে প্রকৌশলী কবির হোসেন সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতের সব প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

ঢাকা পলিটেকনিকের লতিফ ছাত্রাবাসে ভূমিকম্পে ধসের শঙ্কা; ভবনে ফাটল

স্টাফ রিপোর্টার | দ্য ক্যাম্পাস মিরর

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লতিফ ছাত্রাবাসে আজ ২১ নভেম্বর শুক্রবার ভোরের ভূমিকম্পে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক। সাত দশকের পুরোনো এ আবাসিক ভবনের নানা স্থানে ফাটল দেখা গেছে, ভেঙে পড়েছে একাধিক রুমের ছাদের অংশ। হঠাৎ ভূমিকম্পের প্রবল ঝাঁকুনিতে দিশেহারা হয়ে পড়েন ছাত্ররা; বহু শিক্ষার্থী দৌড়ে নিচে নেমে প্রাণে বাঁচেন, হন আহত।

প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার শিক্ষার্থীর আবাসন;সংকুল এই ছাত্রাবাসকে শিক্ষার্থীরা অনেক দিন ধরেই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে অভিযোগ করে আসছেন। তারই ভয়াবহ বাস্তব চিত্র আজ আবারও দেখা গেল।

শুক্রবার ভোরে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী ঘুমে ছিল। পরীক্ষার সপ্তাহ শেষ হওয়ায় হলের ৭০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল বলে জানায় আবাসিক ছাত্ররা। হঠাৎ পুরো ভবন দুলে ওঠে। কী ঘটছে বুঝে ওঠার আগেই রুম থেকে বের হতে শুরু করে সবাই।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ইমারতের দৃশ্য

ভূমিকম্পে খসে পড়া ছাদের কংক্রিট
সাত দশকের জরাজীর্ণ হল বিল্ডিং
এক আবাসিক শিক্ষার্থী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন; “হঠাৎ কাঁপুনিতে ঘুম ভেঙে গেল। চারদিকে শুধু দৌড়াদৌড়ি, চিৎকার। সিঁড়িতে তাকাতেই দেখি শত শত শিক্ষার্থী নিচে নেমে যাচ্ছে। মনে হচ্ছিল;লতিফ ভেঙে পড়েছে, এবারই বুঝি শেষ।” ভবনটির কয়েকটি ব্লকের ছাদের অংশ ভেঙে নিচে পড়ে। একাধিক কক্ষে বিম ও কলামে দৃশ্যমান ফাটল তৈরি হয়। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য; “আর কয়েক সেকেন্ড চললে হয়তো নেপালের মতোই একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত।” এর আগে, হলের ৪ তলার এক কক্ষে ছাদের অংশ ভেঙে একজন শিক্ষার্থীর বেডের ওপর পড়ে। সৌভাগ্যক্রমে তখন তিনি রুমে ছিলেন না। শিক্ষার্থীরা জানান, সেই ঘটনার পরও নতুন হল নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদনের দাবি জানানো হলেও মন্ত্রণালয় কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। ক্যাম্পাস প্রশাসনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের কাছে নতুন হল নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু আজও পর্যন্ত প্রকল্প অনুমোদন পায়নি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভবনের বয়স, নড়বড়ে কাঠামো ও আগের নানা দুর্ঘটনা থাকা সত্ত্বেও সংস্কার বা পুনর্নির্মাণে তেমন কার্যক্রম দেখা যায়নি। আজকের ভূমিকম্পের পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আঘাত না লাগলেও আতঙ্কে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের দাবি; “এই হল আর থাকার জায়গা নয়, একটি মৃত্যুকূপ।” শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভূমিকম্পের সময় ‘মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে আসা’র অভিজ্ঞতা আজ তাদের আবারও মনে করিয়ে দিল ঝুঁকিপূর্ণ এই আবাসনের বাস্তবতা।

Appellate Division to Deliver Verdict Thursday on Caretaker Government Appeal

0

Mirror Desk
The Appellate Division of the Supreme Court is set to pronounce its verdict on Thursday regarding an appeal seeking reinstatement of the caretaker government system for national elections, more than a decade after the mechanism was declared unconstitutional.

A seven-member bench headed by Chief Justice Syed Refaat Ahmed is scheduled to announce the judgment.

Who Represented Whom at the Hearing

During the hearings, senior lawyers Zainul Abedin and Barrister Ruhul Quddus Kajal argued on behalf of the BNP secretary general. Advocate Mohammad Shishir Monir represented Jamaat-e-Islami, while senior lawyer Sharif Bhuiyan stood for five prominent citizens who joined the appeal.
Attorney General Md Asaduzzaman represented the state.

appointed judges of the Appellate Division of the Supreme Court

Speaking to the media, lawyer Shishir Monir remarked that constitutionally, the 13th parliamentary election can no longer be held under a caretaker government, since such a government must be formed within 15 days of dissolving Parliament.
“Parliament was dissolved over a year ago. Therefore, we expect that the 14th National Parliament election will instead be held under a caretaker government,” he said.

Background of the Case

On August 27, the Appellate Division permitted the filing of an appeal against its earlier verdict that nullified the caretaker government system.
The appeal hearings officially began on October 21.

The caretaker government provision originally entered the Constitution through the 13th Amendment in 1996. However, in 1998, a writ petition was filed; led by Advocate M. Salim Ullah, challenging the amendment.
Though the petition was dismissed in 2004, the petitioners appealed in 2005, leading to the historic May 10, 2011 verdict in which the Appellate Division declared the amendment illegal.

Following the ruling, the 15th Amendment Act was passed on June 30, 2011, formally abolishing the caretaker government system. The gazette was issued on July 3 of that year.

Why the Case Returned

After the recent change of government, five prominent civil society figures, including Badiul Alam Majumdar of Shushashoner Jonno Nagorik, filed an appeal on August 5 last year, requesting a review of the 2011 verdict.
The other petitioners are Tofail Ahmed, M. Hafizuddin Khan, Zobairul Haq Bhuiyan, and Zahra Rahman.

Additionally, BNP secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir filed his own review petition on October 16, followed by another from Jamaat-e-Islami secretary general Professor Mia Golam Parwar on October 23.

The verdict on these appeals will be announced Thursday.

গনহত্যার অভিযোগে পলাতক শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড রায় ঘোষণা

0
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রথম অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং দ্বিতীয় অভিযোগ ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ছয়টি অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার। মামলার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে জুলাই-আগস্টে নৃশংস ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড, হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলার তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।

জ্ঞান ও প্রযুক্তির সম্মিলনে তরুণদের নিয়ে বেসিসের উদ্যোগ ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা

0
ঢাকা, ১৫ নভেম্বর ২০২৫: বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর উদ্যোগে এবং বেসিস স্টুডেন্টস’ ফোরামের সহযোগীতায় আজ বেসিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা। এই আয়োজনে অংশ নেয় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনার, কো-কনভেনার ও নির্বাহী সদস্যরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহায়ক কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যবৃন্দ এবং বেসিস সচিবালয়ের প্রতিনিধিরা। বেসিস স্টুডেন্টস’ ফোরাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিভিত্তিক চর্চার বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তি চর্চার কার্যক্রম শক্তিশালী করা, নেতৃত্বের বিকাশ, প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি—এসব লক্ষ্য সামনে রেখে ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিগুলোর এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে গত বছরের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পর্যালোচনা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়, আগামী বছরের পরিকল্পনা এবং বেসিসের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগসমূহের সঙ্গে শিক্ষার্থী কার্যক্রমের সামঞ্জস্য—এসব বিষয় গুরুত্ব পায়। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনা পর্ব এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে বেসিস প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খান বলেন, “আমাদের তরুণ সমাজই আগামী দিনের প্রযুক্তি খাতের আসল চালিকাশক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা যদি হাতে–কলমে শেখে, শিল্পের চাহিদা বুঝে দক্ষতা গড়ে তোলে, তাহলে বাংলাদেশের আইসিটি খাত আরও গতিশীল হবে। স্টুডেন্টস’ ফোরামের নেতৃত্ব যারা দিচ্ছেন, তারা এই পরিবর্তনের সামনের সারির শক্তি। বেসিস সবসময় তাদের পাশে থাকবে।” বেসিস বিশ্বাস করে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্টুডেন্টস’ ফোরামের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয় আরও দৃঢ় হবে, নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে এবং ২০২৬ সালের কার্যক্রমের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানীদের বিষয়ে সংসদে আলোচনা করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল। সেটা পরবর্তীতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে সেটি সংবিধানে পুনর্বহাল করা হবে। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কওম হিসেবে, মুসলমান হিসেবে বিভক্তি এবং দুর্বলতার কারণে ফিলিস্তিনের গাজাবাসী, আরাকানের রোহিঙ্গাসহ সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে। বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায়, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের দেয়, এ দেশের জনগণ যদি আমাদের মহব্বত করে দায়িত্ব দেয়, যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন, মঞ্চে উপবিষ্ট যারা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পীরে কামেল, হজরত, ওলামায়ে কেরাম, আমাদের দেশের বুজুর্গানে দ্বীন যারা আমাদের পরিচালিত করেন, সবাই যদি আপনারা সহযোগিতা করেন, একসাথে থাকেন, তাহলে আপনাদের এখানে আজকে যে সমস্ত দাবি-দাওয়া আছে, আমরা সকল দাবি-দাওয়া এই প্রস্তাবের পক্ষে ইনশাআল্লাহ।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘কানুনি সকল ব্যবস্থা জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। এ জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাই হোক, আপনারা যে ভাষায় আমাকে কথা বলতে বলছেন, সেটি আইনের ভাষা নয়। আইনের ভাষা হচ্ছে এগুলো কার্যকর করার জন্য, এই প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা দেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করব।’

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে। এ বিষয়ে দেশে বা মুসলিম বিশ্বে কোথাও কোনো দ্বিমত নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ ঘোষণা দেন। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আজকের এই সমাবেশে শুধু বাংলাদেশের মুসলমান নয়— গোটা মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার বিষয়ে সবার অবস্থান এক। তিনি আরও বলেন, রাসুল সা. বহু হাদিসে ঘোষণা দিয়েছেন— তিনিই শেষ নবী, তার পরে আর কোনো নবী আসবে না। এই আকিদা ইসলামি উম্মাহর সর্বসম্মত বিশ্বাস। বাংলাদেশের জনগণ যদি আমাদের নির্বাচিত করে তাহলে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

রাবিতে দীর্ঘ চার দশক পরে ছাত্রশিবিরের নবীন বরণ

রাবি প্রতিনিধি : ৪২ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে নবীনবরণ আয়োজন করল ইসলামী ছাত্রশিবির। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় রাবি ইসলামী ছাত্রশিবির। জানা গেছে, সংগঠনটির ক্যাম্পাসে সর্বশেষ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮২ সালে। সেদিন শাখা ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগের বাধা ও পরবর্তী সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের চার কর্মী নিহত হন। এরপর নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে শিবির তাদের নবীনবরণ আয়োজন ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করে আসছিল। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ ছাত্রশিবির রাবি শাখা নবীনবরণ আয়োজন করতে চেয়েছিল। কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন সেদিন কী হয়েছিল। সেই ঘটনা আমাদের এখনো আবেগতাড়িত করে। সেই নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে অন্যান্য মতাদর্শের ভাইয়েরা বুমেরাং হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। নবীনবরণ আয়োজনের পর আমাদের চার ভাই আর ঘরে ফিরে যেতে পারেনি। তাদের আঘাতে আমাদের চারজন ভাই শহীদ হয়েছিলেন। তারা হলেন সাব্বির ভাই, হামিদ ভাই, আইয়ুব ভাই এবং জব্বার ভাই। তারা ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রথম শহীদ হিসেবে আজও বিবেচিত। এ ঘটনার পর থেকেই প্রতি বছর ১১ মার্চ ছাত্রশিবির ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে। এটি ছিল রাবি ছাত্রশিবিরের প্রতি জুলুমের ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, সেই দিন আজ পালটে গেছে। এই নবীনবরণ করতে গিয়ে আমার ভাইয়েরা শহীদ হয়েছিল, আর আজ আমরা সেই অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে পারছি এজন্য আমরা মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। ১৯৮২ সালের পর আজই প্রথম আমাদের ক্যাম্পাসের ভেতরে এত বড় নবীনবরণের আয়োজন করেছি। এর আগে ক্যাম্পাসের বাইরে আয়োজন করলেও সেখানে আমরা আমাদের বোনদের রাখতে পারিনি। কিন্তু এবার আমরা তা করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন বলেন, অতীতে আমার ছাত্ররা ৮-১০ হাজার টাকা দিয়ে হলে উঠতে হতো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার সিট বাণিজ্য হতো৷ আমরা হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন চালু করেছি৷ ফলে সিট বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে। অতীতে তুচ্ছ কারণে আমাদের ছাত্রদের জীবন দিতে হয়েছে৷ এই ক্যাম্পাসে পদ্মা সেতুর জন্য টাকা উঠানো হয়েছিল। সেই টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মানুষ মেরে ফেলেছে৷ তিনি আরও বলেন,আগস্ট বিপ্লবের ফলে ক্যাম্পাসের এইসব সংস্কৃতি পরিবর্তন হয়েছে৷ গত সপ্তাহে ১০ জনকে গাঁজাসহ আটক করেে প্রক্টরিয়াল বডি। এই ক্যাম্পাস মাদকের আখরা৷ নতুন শিক্ষার্থীদের আমি এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি৷ আজ যারা নবীনবরণ করছে তারা রাকসুতে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। ভোটে জয়ী হওয়ার একটা দায়বদ্ধতা আছে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্যাম্পাস গঠনে রাকসু প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা রয়েছে৷ এদিন নবীন বরণের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের নানা রকম উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়৷ পরে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন, বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসু ও চাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও ইব্রাহিম হোসেন রনি। প্রধাম আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। এছাড়াও আমন্ত্রিত অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক আব্দুল মোহাইমিন, কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও হল প্রভোস্ট, শাখা শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।